| |

পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে ধোবাউড়ায় ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা, শিল্প হারিয়ে যাওয়ার হতাশা ব্যক্ত।

আবুল হাশেম ঃ  বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই অনেক ধরনের সংস্কৃতির লালন পালন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মৃৎশিল্প।মৃৎ মানে মাটি,আর শিল্প মানে সৃষ্টিশীল সুন্দর বস্তু।সৌন্দর্যের সেই জৌলুস আর আগের মত নেই,আধুনিক যুগে কমেছে মানুষের আগ্রহ।এতে এর সঙ্গে থাকা মানুষগুলোর জীবন সংগ্রাম যেন আরও বেড়ে গেছে।সৃষ্টিশীল কাজে আগে দরকার কাদা প্রস্তুত করা। পণ্যের মাপ বুঝে সেই কাদা চাকার মাঝখানে রাখা হয়। এরপর পণ্যের পুরো অবয়ব ফুটে উঠা পর্যন্ত চাকা ঘুরাতে হয়। এভাবেই চলতে থাকে য়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া পালপাড়ার মানিক পালের হাতের কারিশমা। তৈরী হয় মাটির হাড়ি,পাতিল,খেলনাসহ নানান সামগ্রী। পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে ঐ এলাকার মানিক পালসহ মৃৎশিল্পীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় মানিক পালের সাথে।মৃৎ শিল্প হারিয়ে যাওয়ার হতাশা ব্যক্ত করে বলেন বছরে ১ বার পহেলা বৈশাখসহ দু”একটি দিনে মাটির জিনিসপত্র বেচাকেনা হয়। এসময় আমাদের একটু ব্যস্ত থাকতে হয়। কিন্তু এখন আধুনিক যুগে মাটির জিনিসপত্র কেউ কিনেনা। এসময় তিনি এই মৃৎ শিল্পকে বাচিয়ে রাখার দাবি জানান।
একসময় মানুষের কাছে মাটির তৈরী জিনিসপত্রের কদর ছিল ব্যপক। কিন্তু আধুনিকতার ছোঁয়ায় এসব জিনিসের ব্যবহার ব্যপকহারে কমে গেছে।গ্রামের মানুষ কিছু ব্যবহার করলেও শহরে প্রায় বিলুপ্ত।তবে দইয়ের হাড়ি ও পাতিলের কদর এখনও আছে,আর তাতেই আশার আলো দেখছেন এখানকার কুমার শিল্পিরা। স্থানীয় গৌতম সাহা জানান সহজ শর্তে কুমার শিল্পীরা ঋন ফেলে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যপূর্ণ এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব ।