| |

ঝিনাইগাতী রাক্ষশী বন্যায় ফসল হারিয়ে কৃষকরা নিস্ব : ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ২২ এপ্রিল অবিরাম বর্ষণে পাহাড়ি ঢলে রাক্ষশী বণ্যায় ফসল হারিয়ে কৃষকরা নিস্ব হয়ে পড়েছে । চারদিকে নিচুঁ এলাকায় থৈ থৈ পানি আর কৃষকের আহাজারিতে মানুষ দূর্ভোগ পোহাচ্ছে । ২৬ এপ্রিল বেলা ১২ টায় কৃষকের দু:খের সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে ছুটে আশে শেরপুর জেলা প্রশাসক ড:মল্লিক আনোয়ার হোসেন । রোদকে উপেক্ষা করে জেলা প্রশাসক দূর্গত এলাকা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.জেড.এম শরীফ হোসেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলহাজ্ব কোরবান আলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান ও ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম । দূর্গত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসককের উপস্থিতী পেয়ে কৃষকরা তাদের উঠতি বোর ফসলের ক্ষতি ও দু:খের কথা বলতে থাকেন । জেলা প্রশাসক দিন ব্যাপি বাইলচা বিল,সোনাই বিল, ধলি বিল, গজারিমারি বিল ,উত্তর কান্দুলী,কান্দুলী মাঝপাড়া ,দক্ষিন কান্দুলী ও বাঘেরভিটা দুর্গত এলাকায় নৌকা করে পরিদর্শন ও কান্দুলী মাঝাপাড়া  সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের সাথে পানি পারি দিয়ে স্কুলে আশার অসুবিধা নিয়ে কথা বলেন । ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক বারেক মিয়ার ২ একর রাশেদ মিয়ার এক একর আমিরুল ইসলামের তিন একর সিরাজুলের এক একর বোর আবাদের আধাঁপাকা ধান পানির নিচে এখনও নিমজ্জিত হয়ে আছে বলে জানা গেছে । এ ছাড়া মালেখ ও রশিদের ৪ একর জমির ভিতর  প্রজেক্টের মাছ পানিতে ভেঁসে গেছে । এলাকাবাসী জানায় ২২ এপ্রিল বাঘের ভিটা পাগলা নদীর বাধ ভেঙ্গে এলাকায় কৃষকের বোর আবাদ সহ সবজি আবাদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয় । জেলা প্রশাসক ড: মল্লিক আনোয়ার হোসেন বলেন কৃষকের কষ্টের চিন্তা করে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে মাঠে বেড়িয়েছি । কৃষকের পাশে দাড়িয়ে সরকারকে অবগত করবো এই উপজেলায় কৃষকের আহাজারি শুরু হয়েছে তা নিজ চোখেঁ দেখছি । কৃষি কর্মকর্তা কোরবান আলী জানায় উপজেলার ৩ হাজার হেক্টর জমি আজ পর্যন্ত পানির নিচে নিমজ্জিত হয়ে আছে । ইতি মধ্যে রোদ উঠেছে পানি সরে কিছু জমির ধান কাঁটার উপযোগী হয়ে উঠছে বলে জানান ।