| |

সারাদেশে কৃষক পর্যায়ে যাচ্ছে বিনার জীবাণু সার

বিনা উদ্ভাবিত ডাল ও তেল জাতীয় ফসলের জীবাণু সার বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে জীবাণু সার প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিউট (বিনা) ও এসিআই লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিনার সম্মেলন কক্ষে দুই বছর মেয়াদী ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিনার মহাপরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন, পরিচালক প্রশাসন ও সার্পোট সার্ভিস ড. আজগর আলী সরকার,মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মহসীন আলী, , ও কীটতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, জীবাণু সার বিশেষজ্ঞ ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকতা ড. মো. জহুরুল ইসলাম, এসিআই ফার্টিলাইজারের ব্যবসায়িক ও বিপনণ বিভাগের পরিচালক কৃষিবিদ বশির আহমেদ, সহকারী প্রোডাক্ট ম্যানেজার মো. আসাদুর রহমান।
সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় বিনার পরিচালক ড. মো. আমজাদ হোসেন বলেন, জীবাণু সার পরিবেশ বান্ধব ও শতভাগ ইউরিয়া সাশ্রয়ী পুরানো একটি প্রযুক্তি। কিন্তু ব্যাপকভাবে কৃষক পর্যায়ে জীবাণু সারটি নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। কৃষকের কাছে সারটি পৌঁছানোর জন্য এসিআই এর সাথে চুক্তিটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। প্রযুক্তিটি সারাদেশে ছড়িয়ে পড়লে পরিবেশ দূষণ রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এসিআই ফার্টিলাইজারের ব্যবসায়িক ও বিপনণ বিভাগের পরিচালক কৃষিবিদ বশির আহমেদ বলেন, তার প্রতিষ্ঠান সবসময় কৃষকের সম্পদ বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। কোন একটি প্রযুক্তি গ্রহণ করার জন্য তার প্রতিষ্ঠান বিপণনের ক্ষেত্রে অনেকগুলো ধাপ অনুসরণ করে থাকে। জীবাণু সার শতভাগ নাইট্রোজেন সাশ্রয়ী ও পরিবেশ বান্ধব হওয়ায় বিনা কতৃক উদ্ভাবিত এ সার কৃষক পর্যায়ে পৌঁছায়ে দিতে কাজ করবেন।
জীবাণুসার বিশেষজ্ঞ ড. মো. জহরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের সকল কৃষকের দ্বারগোড়ায় সারটি পৌঁছে দেওয়ার জন্য এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসিআই বাণিজ্যিকভাবে এ সারটি বিপণণের ব্যবস্থা করবে। কৃষকরা দামে সস্তা এ সারটি ডাল ও তেল জাতীয় ফসলের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারবেন। সারটি ব্যবহারে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে। ফলে ফলন বাড়ে ২০ থেকে ১৫০শতাংশ। এ সার ব্যবহারে  কৃষককে বাড়তি কোন ইউরিয়া সার দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন।