| |

ইসলামপুরে বন্যার পরিস্থিতি অপরিবর্তীত ৫৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের বন্ধ ঘোষনা

লিয়াকত হোসাইন লায়ন ঃ ইসলামপুরে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। উপজেলা সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার আংশিক প্লাবিত হয়ে সতের হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে শিক্ষা অধিদপ্তর ৫২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ করে দিয়েছে। সোমবার যমুনা নদীর পানি বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্টে গত ২৪ঘন্টায় বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৩৬ সেন্টি মিটারে অপরিবর্তীত থাকলেও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বন্যা কবলিত এলাকায় প্রায় সতের হাজার লোক পানি বন্দি হয়ে পড়ায় পানিবন্দি মানুষ উঁচু স্থানে,বিভিন্ন স্কুলে,আত্বীয় স্বজনের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে। তবে বন্যা দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির পাশাপাশি হাঁস,মুরগী সহ গো খাদ্যে সংকট দেখা দিয়েছে।
কুলকান্দি ইউনিয়নের বেরকুশা গ্রামের সাবেক মেম্বার বুট্টু শেখ জানান, আমাদের বেড়কুশা দ্বীপ অঞ্চলের চারদিকে পানি ছড়িয়ে পড়ায় এ এলাকার সকলেই পানি বন্ধি হয়ে পড়েছি। বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে পড়েছি। রাতে নৌ ডাকাতের আশংঙ্কাও রয়েছে তাই নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি। উঠায় রান্না করার উপায় নাই তাই এখন পর্যন্ত না খেয়ে আছি।
চিনাডুলী ইউনিয়নের গিলাবাড়ী গ্রামের কৃষক হিরু শেখ জানান, বন্যার পানি বাড়িতে উঠায় আত্বীয়ের বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছি। তবে হাস মুরগীগুলো খাবারের অভাবে মারা গেছে।
প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, বন্যা কবলিত এলাকায় ৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা পাঠদান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা জানান, ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম এহছানুল মামুন জানান, দূর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব ইউসূফ আলী, বন্যা কবলিত এলাকা গিয়ে যমুনা দূর্গম অঞ্চলে ৮শতাধিক পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরন ট্যাবলেট বিতরন করেন।