| |

ধোবাউড়ায় বন্যার উকিঁ দিতেই বিদ্যালয়ে নেই ছাত্রছাত্রী, বছরে ৪ মাস বন্ধ বিদ্যালয়,শিক্ষাকার্যক্রম ব্যহত

আবুল হাশেম ঃ  ধোবাউড়ায় বন্যার উকিঁ দিতেই বিদ্যালয় সহ পানির নিচে তলিয়ে যায় আশে পাশের সকল রাস্তা। এতে ছাত্রছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসা বন্ধ করে দেয়। এই অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ বন্ধ থাকে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার চন্দ্রনাথ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।বছরে কমপক্ষে ৪ মাস বন্ধ থাকে এই বিদ্যালয়টি। কিন্তু এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও নেতৃবৃন্দের কারও কোন সুনজর নেই বিদ্যালয়টির প্রতি। শনিবার সরেজমিনে বিদ্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ের এক মনোরম পরিবেশ। কিন্তু নেই ছাত্রছাত্রী। জৈনাব আলী নামে এক শিক্ষক তৃতীয় শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছেন মাত্র ৩ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে। তিনি জানান আমি অন্যের নৌকা দিয়ে স্কুলে এসেছি এখন কিভাবে বাড়িতে যাব এই চিন্তাই আছি। যাওয়ার পথে দেখা হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী চম্পা ও মাহমুদার সাথে। তারা পানিতে ভিজেই বিদ্যালয়ে যাচ্ছে। তাদের সাথে কথা হলে তারা জানায় আমাদের নৌকা নেই বাবা-মায়ের চাপে ভিজেই স্কুলে যাচ্ছি। ৫ম শ্রেণির ছাত্র কামরুল হাসান ও ফারুক মিয়া জানায় অন্যের নৌকা দিয়ে স্কুলে আসি আর ভিজে বাড়িতে যায়,যেদিন নৌখা থাকেনা সেদিন স্কুলে আসতে পারিনা। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শ্যামল চন্দ্র জানান চন্দ্রনাথের সপ্ন ছিল এখানে স্কুল,কলেজ হবে। কিন্তু রাস্তাঘাটের অভাবে এখন এই স্কুলটিই টিকিয়ে রাখা যাচ্ছেনা। বিদ্যালয়টি পোড়াকান্দুলিয়া,গোয়াতলা ও ধোবাউড়া সদর তিন ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে হওয়ায় কোন নেতৃবৃন্দ এখানে আসেন না। পুরো বর্ষার মৌসুম বিদ্যালয়টি পানি বন্ধী থাকে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম তৌফিক বলেন ২৫০ জন ছাত্রছাত্রীর মাঝে বর্ষাকালে ১০০ জন ছাত্রছাত্রীও উপস্থিত থাকেনা। এই অবস্থা চলে প্রায় ৪ মাস। স্থানীয়রা জানান দর্শা গ্রাম থেকে আসা বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার ও বুড়া বিলের ভাংতিটি বেঁধে দিলে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার কষ্ট কিছুটা কমবে।এছাড়া বিদ্যালয়ের দক্ষিণে লেবাসের বাড়ি থেকে মেরাজের বাড়ি পর্যন্ত ১ কিলোমিটার রাস্তা হলে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পরিবশে ফিরে আসবে। এ ব্যাপারে ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক বলেন আমার জানা ছিলনা এখন রাস্তা দেখে খুব শিঘ্রই ব্যবস্থা করা হবে । গোয়াতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম টুটুন বলেন  আমার ইউনিয়নের অংশের কাজ শুরু করে ছিলাম বৃষ্টির কারণে পারিনি ।