| |

গোপালপুরে সড়ক দেবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পর্যটকরা

এ কিউ রাসেল : টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ঝাওয়াইল সড়কের নবগ্রাম উত্তরপাড়া ফকিরবাড়ি সংলগ্ন রাস্তা দেবে গিয়ে মাঝখানে ভেঙ্গে যাওয়ায় শুক্রবার দিনভর ওই সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে উপজেলার দক্ষিণপাথালিয়া গ্রামে নির্মানাধীন বিশ্বখ্যাত ২০১গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ দেখতে আসা পর্যটকরা। উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর নির্দেশে, এলজিইডি দ্রুত বালু ও ইটের খোয়া ফেলে গতকাল শনিবার সড়কটি চলাচলের উপযোগি করে তোলে। এলাকাবাসিরা জানান, যমুনা সার কারখানা হতে উৎপাদিত ইউরিয়া সার ট্রাক যোগে এপথেই পরিবহন করা হয়। ঝাওয়াইল ও ডাকুরি হতে যাত্রীবাহি বাস এ পথেই টাঙ্গাইল ও ঢাকা যাতায়াত করে। ঐতিহ্যবাহি সরিষাবাড়ি উপজেলার পিংনা এবং ভেঙ্গুলা গরুর হাটের গরু-মহিষ ট্রাক, পিকআপ ও ভটভটি যোগে এ সড়কেই দেশের বিভিন্ন সাথে পরিবহন করা হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে পর্যটকরা এপথেই নগদাশিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণপাথালিয়া গ্রামে নির্মানাধীন বিশ্বখ্যাত ২০১গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ পর্যবেক্ষণ করতে যান। ফলে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে দেবে গিয়ে খাদা-খন্দকে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগি হয়ে গেছে। এছাড়াও সড়টির পূর্বপাশ দিয়ে অবস্থিত বসত বাড়ি গুলোর বৃষ্টির পানি নিস্কাশনের জন্য কোন ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। সড়কটির উপর দিয়ে এবং সড়কের নিচ দিয়ে গর্ত হয়ে বৃষ্টির পানি প্রবাহিত হয়ে স্থানীয় ঝিনাই নদীতে অপসারিত হওয়ার কারণে সড়কটির ওই অংশ ভেঙে দেবে গেছে। শুক্রবার একটি মালবোঝাই ট্রাক পার হওয়ার সময় সড়কের ওই অংশ দেবে গিয়ে ট্রাকটি আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের তৈরি হয়। গতকাল শনিবার সড়কটি সংস্কার হওয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু জানান, ‘পর্যটকরা বিশ্বখ্যাত ২০১গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ দেখতে ওই সড়কটি ব্যবহার করে। ফরে দেবে যাওয়া অংশ মেরামত করে সড়কটি দ্রুত চলাচলের উপযোগি করার জন্য স্থানীয় এলজিইডিকে নির্দেশ দিলে তারা রাস্তার ওই অংশে বালু ও ইটের খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগি করে তোলে। তবে গোপালপুরে অধিকাংশ সড়কই খাদা-খন্দকে ভরপুর এবং চলাচলের অনুপযোগি। আমি সড়ক গুলো দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দফতর গুলো হতে অর্থ বরাদ্ধের জোর দাবি জানাচ্ছি।’