| |

ত্রিশালে পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি অবস্থান ধর্মঘট পালন

রফিকুল ইসলাম শামীমঃ রাষ্ট্রীয় কোষাগার হতে বেতন ভাতাদি,পেনশন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা প্রদানের দাবীতে বাংলাদেশ পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের ডাকা সারাদেশে আন্দোলনের অংশ হিসেবে ত্রিশাল পৌর সভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট সোমবার পৌর ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। পৌর কর্মকর্তা কর্মচারী এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক কফিল উদ্দিনের পরিচালনায় ও সভাপতি ও ত্রিশাল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত কুমার দের সভাপতিত্বে কর্মসূচী চলাকালে বক্তব্য রাখেন সচিব নজরুল ইসলাম,প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান,উপসহকারী প্রকৌশলী রবিউল আলম,কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজ কল্যান সম্পাদক এছহাক আলী, আব্দুর রাজ্জাক,সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাদেকুর রহমান,বাজার পরিদর্শক রাজিবুল ইসলাম,কর আদায়কারী মোখলেছুর রহমান,ত্রিশাল কর্মচারী সংসদের সভাপতি আনোয়ার হোসেন,স্টোর কিপার আলমগীর কবীর,সার্ভেয়ার আশরাফুল আরেফীন,আব্দুল্লাহ আল মামুন,জুলহাস উদ্দিন,পরভীলা খাতুন প্রমুখ। পৌর এসোসিয়েশনের বক্তারা বলেন-ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলায় ২৬টি পৌরসভা রয়েছে,তার মধ্যে প্রায় ২২টি পৌরসভায় পৌর কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৬ মাস হতে ২২ মাস পর্যন্ত বেতন ভাতাদি বকেয়া পড়ে আছে। পিএফ গ্যাজুয়েটির টাকা ও অনেক পৌরসভা জমা দেয়নি। ৬ মাসের এরিয়ার টাকা তো দেয়ইনি। তার উপর অনেক পৌরসভা পুরাতন স্কেলে ও বেতন ভাতা দিচ্ছে। তারা বলেন প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পিতার আদর্শে বলিয়ান হয়ে বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত করার যে স্বপ্ন দেখছেন,তা বাস্তবায়ন করতে হলে পৌরসভার ভূমিকা অপরিসীম। পৌরসভাকে বাদ দিয়ে কখনো বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হতে পারেন্ াআমরা শান্তিপূর্নভাবে আমাদের ন্যার্য অধিকার আদায়ে আন্দোলন করবো,আমরা পৌরসভার সরকারের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছি যাতে সরকার আমাদের ৩২ হাজার ৫শত কর্মকর্তা কর্মচারীর ন্যার্য্য অধিকার দিয়ে যারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে বলিষঠ ভূমিকা রাখে তাদের ডাল ভাতের ব্যবস্থা করে দেন। পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা ৮ মাস হতে ২২ মাস পর্য়ন্ত বেতন না পেয়ে এখন এক মানবেতর জীবন যাপন করছে। আমাদের অনেকের পরিবারে শিশু বৃদ্ধারা টাকার অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছেনা। অনেকে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারছেনা। তাদের ছেলে মেয়েরা সুশিক্ষা হতে বঞ্চিত হচ্ছে। যে সকল পরিবার চাকুরীর উপর নির্ভরশীল তাদের এসব করুন অবস্থা উপলদ্ধি করতে আমরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তারা আরো বলেন অনতি বিলম্বে তাদের দাবী দাওয়াদি মানা না হলে কঠিন হতে কঠিনতর আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে দাবী আদায় করা হবে বলেও হুশিয়ারী দেন।