| |

সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক সারাদেশেই বিস্তৃত -নিবাস চন্দ্র মাঝি

মুহাম্মদ হযরত আলী : ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-পুলিশ মহা পরিদর্শক নিবাস চন্দ্র মাঝি বলেছেন, শেরপুর জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকলেও এ অঞ্চল সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক এর বহির্ভূত নয় বরং সারাদেশেই তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত। শনিবার দুপুরে শেরপুর জেলার নকলা উপজেলাধীন চন্দ্রকোনা বাজার থেকে পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ১৯টি প্লাস্টিক কন্টেইনারে ৫শ ৬৮ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্বারের ঘটনাস্থল পরিদর্শন কালে সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, চন্দ্রকোনা বাজার এলাকাকে প্রত্যন্ত এলাকা হিসেবে ধারণা করে সন্ত্রাসীরা এখানে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চেয়েছিল কিন্তু পুলিশ বাহিনীর দক্ষতা ও বলিষ্ঠতার কারণে তাদের উদ্দেশ্য পূরণ হওয়ার আগেই ষড়যন্ত্র উদগাটিত হয়েছে। পুলিশ বাহিনী সন্ত্রাসীদের মোকাবিলায় সর্বদায় জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে থাকেন। ডিআইজি বলেন, এলাকাবাসীকে বাড়ি, ঘর ও দোকানপাট ভাড়া দেওয়ার সময় ভাড়াটে ব্যক্তি পরিচয় ভালো করে জেনে নিয়ে, তাদের আইডি কার্ডসহ যাবতীয় তথ্য পুলিশকে অবহিত করার আহব্বান জানান।
উল্লেখ্য যে, পুলিশ গত বৃস্পতিবার রাতে চন্দ্রকোনা বাজারের “তানিসা গামেন্টস এন্ড সুজ” এর তালা ভেঙ্গে ১৯টি প্লাষ্টিক কন্টেইনারে ৫শ ৬৮ কেজি বিস্ফোরক পদার্থ উদ্বার করে। পরবর্তীতে উদ্বারকৃত তরল পদার্থ পরীক্ষার জন্য ৬ অক্টোবর শুক্রবার সকালে ঢাকা ফরেনসিক বিভাগের সিআইডির ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে পৌছে জব্দকৃত এসব তরল পদার্থ কিনা তা পরিক্ষা নিরীক্ষা করেন। উদ্ধারকৃত তরল পদার্থের মধ্যে রয়েছে নাইট্রিক এসিড, ডিক্লোমেথেনি, সালফিউরিক এসিড, ক্লোরফম, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, ট্রেট্রাহাইড্রোফুরান। যা দ্বারা বিস্ফোরন দ্রব্য তৈরি ও নাশকতা ঘটানো সম্ভব।

নকলা থানার অফিসার ইনচার্জ খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী জানান, এ বিষয়ে নকলা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক এসআই আঃ সাত্তার বাদী হয়ে ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৪/৫/৬ ধারায় মামলা হয়েছে। ইতি মধ্যে মামলায় অভিযোক্ত আবুল কাশেম, ফয়েজ উদ্দিন ও মিনারা বেগম নামে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।