| |

ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তহবিলের অভাবে বাক্সবন্ধী জেনারেটর, শ্বাসকষ্টে ভোগছে শিশুরা।

আবুল হাশেম ঃ ধোবাউড়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে তহবিলের অভাবে বাক্সবন্ধী রয়েছে জেনারেটর। দীর্ঘদিন ধরে দুটি জেনারেটর হাসপাতালে বাক্সবন্ধী অবস্থায় পড়ে আছে।বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং এ দিশেহারা হয়ে পড়েছে রোগীরা।প্রতিদিন অসংখ্য শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশু নিয়ে আসছে হাসপাতালে। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকলে শ্বাসকষ্টে ভোগছে শিশুরা।অক্সিজেন দিতে না পারায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে এসব শিশুর অভিভাবকগন।মঙ্গলবার রাতে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় অন্ধকারে মোমবাতি জালিয়ে রোগী দেখছেন ডাক্তার। গরমে ক্উে কেউ হাতে পাখা দিয়ে বাতাস করছেন,কেউ আবার হায় হুতাশ করছেন।পুরো হাসপাতাল রয়েছে অন্ধকারে।গোয়াতলা গ্রামের আকিকুল ইসলাম বলেন অনেক্ষণ ধরে কারেন্ট নেই তাই শিশুকে অক্সিজেন দিতে পারছিনা,জেনারেটরটি যদি চালু করা যেত তাহলে শিশুরা একটু বাচতে পারতো।এমন আরও অসংখ্য রোগী জেনারেটর চালানোর দাবি জানান। এ ব্যাপারে ধোব্উাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজী বলেন তেলের বরাদ্দ না থাকায় জেনারেটরটি চালানো সম্ভব হচ্ছেনা।প্রতিবছর স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চিকিৎসা সেবাকে মানুষের দোড়গোড়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।তারই ধারাবাহিকতায় ধোবাউড়া স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে প্রতিবছর ঔষধ বাবদ ও অন্যান্যসহ ৩২ লক্ষাধিক টাকার বরাদ্দ আসে। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল ও সামান্য তেলের অভাবে এই দরিদ্র এলাকার মানুষগুলো পাচ্ছেনা কাঙ্খিত সেবা।৩০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হওয়ার ৪ বছর অতিবাহিত হলেও জনবলের অভাবে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি হাসপাতাল কর্র্তৃপক্ষ। এদিকে ১ কোটিরও বেশী টাকা ব্যায়ে নির্মিত ভবনটি পড়ে আছে অযতেœ অবহেলায় দেখার যেন কেউ নেই।সম্প্রতি ধোবাউড়া হালুয়াঘাট আসনের সাংসদ জুয়েল আরেং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। সাংসদ জুয়েল আরেংকে সমস্যার বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে কিনা টিএইচও ওয়ায়েজ উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও জানানো হয়নি,তবে আগামী ২২ তারিখে একটি সেমিনার রয়েছে ওনাকে রাখার চেষ্টা করব।