| |

ঝিনাইগাতীতে গো খাদ্যের সংকট হওয়ায় আটির বাজার বসেছে

ঝিনাইগাতী সংবাদদাতা : শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় গো খাদ্যের সংকট দেখা দেওয়ায় সদর বাজারে আটির বাজার বসেছে । বোর ফসলের আগাম বন্যা ও আমন ফসলের ধান কাটার আগ মুহুর্তে প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ি বন্যায় কৃষকের অর্জিত ফসল কেড়ে নিয়েছে । ফলে গো খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে । গো খাদ্যের জন্যে কৃষকরা দিক বেদিক ছুটাছুটি করে দিশাহারা হয়ে কোথাও গো খাদ্যে সংগ্রহ করতে পারছেনা । ফলে ঝিনাইগাতী বজারে প্রতিদিন রাস্তার দু ধারে ভেনগাড়ীতে রেখে ধানের আটি বিক্রির জন্যে হাট বসেছে । ঝিনাইগাতীর গরু পালন করা কৃষক হাবিবুর রহমান জানায় আমাদের বছরে ২টি বোর ও আমন ফসল রাক্ষশী বন্যায় কেড়ে নিয়ে মহা বিপদে ফেলেছে । একদিকে ঘরের খোরাক নেই অন্য দিকে গরুর খাদ্য খড়ও নেই । গরুকে বাচাঁতে বাজার থেকে আটি ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছি প্রতি আটি ১০ থেকে ১৫টাকা ধরে কিনতে হচ্ছে । অপর দিকে যাদের আসন্ন আমন ফসলের ক্ষেত বন্যায় ও পোকা মাকড়ে খেয়ে সাবার করছে তারা ক্ষেত কেঁটে আটি বেধে বাজারে নিয়ে বিক্রি করছে কৃষকরা । কৃষক আমির আলী জানায় আমার ২ একর ধান শেষ হয়ে গেছে বন্যা ও পোকা মাকড়ের গ্রাসে । তার কৃষক জীবনে কাচাঁ আটির বাজার বসেছে কোন দিন শুনে নাই এবার গো খাদ্যের সংকট থাকায় আটির বাজার সৃষ্টি হয়েছে ঝিনাইগাতীতে । অপর দিকে কৃষক মহির উদ্দিন জানায় আমার ২টি গরু ছিল তাদের প্রধান খাদ্য খড়ের অভাবে তা বাজারে বিক্রি করে দিয়েছি এবং যতটুকো আবাদ করেছি তা সম্পর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে । উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা জানায় এই উপজেলায় কৃষি কাজের উপর নিভর্রশীল কৃষকদের ২টি প্রধান ফসল সহ সবজি আবাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে যা কৃষকের পক্ষে পুষিয়ে নেয়া সম্ভব না । কৃষকদের এবার সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে । কৃষি সম্প্রসারণ সূত্রে জানা গেছে বোর ফসলে ১৫ শ হেক্টর জমি আগাম বন্যার ফলে পানির নিচে ছিল আর আমন ফসল ১২ শ হেক্টর ফসল পানির নিচে পড়ে নষ্ট হয়েছে ফলে ২টি ফসলেই কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অর্জিত হবে না । ফসল নষ্ট হওয়ায় গো খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানান ।