| |

ঝিনাইগাতী বিএনপিকে ঠেকাতে আওয়ামীলীগের কোন্দল নিরশন

ঝিনাইগাতী সংবাদদাতা : শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় সামনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিকে ঠেকাতে আওয়ামীলীগের কোন্দল নিরশন করা হয়েছে । গত ৩রা ডিসেম্বর রবিবার বিকালে স্থানীয় খাদ্য ব্যবসায়ীর হল রুমে বহু জল্পনা কল্পনা শেষে দির্ঘ তিনবছর পর আওয়ামীলীগের ২টি গ্রƒপ একত্রিত করার জন্যে উভয়ের মধ্যে এক মিলন মেলায় পরিণত হয় । ওই সভায় জেলা পরিষদের সদস্য নুজরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস,এম ওয়ারেজ নাঈম,জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জমশেদ আলী,সাধারণ সম্পাদক এস এম আমিরুজ্জামান লেবু,সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তুফা,ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চাঁন সফিকুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান মন্টু,আয়ুব আলী ফর্সা, জুহুরুল হক প্রমুখ । উভয় দলের নেতাকর্মীরা সমস্যা সমাধানে উপস্থিত ছিলেন । উল্লেখ্য গত ৪ ডিমেম্বর ২০১৪ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়াকে কেন্দ্র করে ২৮ শে নভেম্বর ২০১৪ সালে সন্ধ্যার পর দু পক্ষের এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্স ভাংচুর হয়ে ব্যাপক গ্রƒপিং সৃষ্টি করে দুই দলে বিভক্ত হয়ে চলে দলের কার্যক্রম । এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ এস এম ওয়ারেজ নাঈম এর পক্ষ থেকে শ্রমিক লীগের ওমর আলী বাদি হয়ে ২৬ ধারায় ৭১ জনকে আসামী করে ১টি ও দ্রত বিচার আইনে মুহসিন আলী বাদি হয়ে ১টি মোট ২টি মামলা করেন । ওই মামলায় বাঘা,বাঘা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ অংঙ্গ সংঘঠনের সকল আসামি শেরপুর কোর্টে স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে জামিন পার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মুজ্ঞর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন । সকলেই প্রায় ৩ মাস কারাভোগ করার পর জামিন পায় । জামিন পেয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আলাদা অফিস নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন । অপর দিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম ওয়ারেজ নাঈম সম্পাদক আমিরুজ্জামান লেবুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ আলাদা কর্মসূচি পালন করেন । ফলে সাধারণ মানুষ সহ সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীরা পড়ে বিপাকে । তিন বছর অতিবাহিত হওয়ার পর অবশেষে সামনে নির্বাচনে বিএনপিকে ঠেকাতে নৌকা প্রতিকের বিজয় নিশ্চিত ও রাজনৈতিক পরিবেশ শান্ত করার জন্যে মামলা ২টি প্রত্যাহার করে উভয় পক্ষ এক সাথে কাজ করা জন্যে একমত পোষন করেছেন ।