| |

জাতিসংঘের শানিÍরক্ষী পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবজ্জ্বল ওসি কামরুল

জোটন চন্দ্র ঘোষ : জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবজ্জ্বল পুলিশ কর্মকর্তা হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম মিঞা। মানুষের ভালোবাসা এবং কর্মকান্ডের মাঝে নিজেকে সারাক্ষণ বাঁচিয়ে রাখতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বাংলাদেশ পুলিশের দেশপ্রেম মনোভাব পরায়ণ এ পুলিশ কর্মকর্তা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পেশাদার ন্যায়পরায়ণ ও মেধাবী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ঢাকার দোহার থানায় ও বর্তমানে হালুয়াঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে সাফল্যের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন ।

কামরুল ইসলাম মিঞা কর্মময় জীবনের শুরু থেকেই একজন চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তার কর্মদক্ষতার ছোঁয়ায় সমৃদ্ধ করেছে তথা সীমান্তঘেষা হালুয়াঘাটবাসীর ।

ব্যক্তিগত জীবনে শান্তিপ্রিয় ও বন্ধুসুলভ এ মানুষটি সবসময় ভেবে থাকেন মানুষের কথা। একজন দক্ষ ও আদর্শবান পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সর্বদা নিরহংকার মানুষ হিসেবে উপজেলাবাসীর হৃদয়ে ঠাই করে নিয়েছেন। কোনো কিছু থেকে শিক্ষা নিয়ে অন্যকে শিক্ষা দেয়ার তার রয়েছে অন্যরকম আগ্রহ। মাটি ও মানুষের টানে পুলিশ বাহিনীতে যোগদান করেন কামরুল ইসলাম মিঞা।

মানুষের জন্য কিছু করতে চান তিনি। ২০০৬ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গৌরবজ্জ্বল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটিয়ে নিজ দায়িত্বের প্রতি ছিলেন মূর্ত প্রতীক। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল বাবা-মা’র লালিত স্বপ্ন ও আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করা। তিনি বলেন, আমি দক্ষ কি-না তা নিজে বলতে পারব না, আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সহকর্মী কিংবা যাদের সঙ্গে কাজ করি তারা ভালো বলতে পারবেন।

তিক্ততার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, সবচেয়ে বড় তিক্ততা যখন ভালো কোনো উদ্যোগ কিংবা মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে গিয়ে চাপের মুখে করতে না পারা। আমি সবার অভিযোগ শুনি সমাধানের ও চেষ্টা করি।

আদর্শবান মানুষ যারা প্রবল বাধার মুখেও আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয় না তারা সবাই আমার আর্দশের প্রতীক। পুলিশ হিসেবে দায়িত্ব পালনে সততার বিষয়টি বহুমাত্রিক। অর্পিত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিন্দু পরিমাণ পিছ হতে রাজি নয় এ পুলিশ কর্মকর্তা। সাধারণ নাগরিকদের যথাযথ পুলিশি সেবা প্রদান করতে সততার অংশ বলে মনে করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

মাদক, জুয়া, জঙ্গি বিরোধী উঠোন বৈঠক ও প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত। মাদক ব্যবসা বন্ধে, মাদকসেবীদের গ্রেফতারে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বাল্যবিয়ে রোধ এবং ইভটিজিং মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরব উপস্থিতি প্রতিনিয়ত ভাবে জানান দিয়ে যাচ্ছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

সাধারণ মানুষ হেনস্থার ভয়ে অনেকেই পুলিশি সেবা নিতে ভয় পেতেন এমন অভিযোগও ছিলো অনেকের। ২০১৬ সালের ৮ জুন অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম মিঞা অত্র থানায় যোগদানের পর থেকে একবারে শুন্যের কোঠায় নেমে আসে চাঁদাবাজি, হয়রানি ও দালালিসহ নানা অভিযোগের চিত্র । অত্র উপজেলায় সার্বিকভাবে খুব দ্রুতই নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে নিয়মভঙ্গের হাজারো অনিয়ম।