| |

‘প্রিয়’ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মুশফিকের সেঞ্চুরি

মুশফিকুর রহিমের প্রিয় প্রতিপক্ষই বলা যায় জিম্বাবুকে। কারণ এই দলটির বিপক্ষেই অভিষেক হওয়ার পর প্রথম হাফসেঞ্চুরি, প্রথম সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
প্রিয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মিরপুরের শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল শনিবার প্রথম ওয়ানডেতেও দারুণ এক সেঞ্চুরি করলেন মুশফিক। ১৫৬ ওয়ানডের ক্যারিয়ারে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি। ডানহাতি এ ব্যাটসম্যানের ঝলমলে ইংনিসে ভর করেই জিম্বাবুয়েকে ২৭৪ রানের বড় লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
ইনিংসের ৪৫.৩ ওভারে তাওরাই মুজারাবানিকে ব্যাকঅফে ঠেলে দিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ৮ চার ও ১ ছয়ে সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে তিনি ব্যয় করেন ১০৪ বল।
এর আগে ৩০ রানে দুই উইকেট হারিয়ে স্বাগতিক বাংলাদেশ যখন ধুকছিল তখনই মাঠে নেমে দলের হাল ধরেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মধ্যেই ইনিংসের ২৫.৪ ওভারে সিকান্দার রাজাকে লেগ সাইডে ঠেলে দিয়ে পূর্ণ করেন হাফসেঞ্চুরি। ৫ চারে সাজানো হাফসেঞ্চুরিতে পৌঁছতে ৫২ বল ব্যয় করেন বাংলাদেশী এ ব্যাটসম্যান।
স্ট্রোকের ফুলঝুরি ছড়ানো ইনিংসটি শেষ হয় ১০৭ রানে। ক্রেমারের থ্রোতে রান আউট হয়ে সাজঘরে যাওয়ার আগে ১০৯ বল মোকাবেলা করে এ রান সংগ্রহ করেন তিনি। ৯ চার ও ১ ছয়ে সাজানো ইনিংসে ভর করেই বড় সংগ্রহ গড়তে পেরেছে বাংলাদেশ।
এর আগে ১৫৫ ওয়ানডেতে ১৪২ ইনিংসে ব্যাট করে ৩১.১০ গড়ে ৭৫.০৯ স্ট্রাইক রেটে ৩৭৬৪ রান সংগ্রহ করেছিলেন মুশফিক। চার সেঞ্চুরি ছাড়াও ২২ হাফসেঞ্চুরি রয়েছে সাবেক বাংলাদেশী অধিনায়কের।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারারেতে ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট অভিষেক হয়েছিল তার। আর ২০০৭ সালের ১০ ফেব্র“য়ারি এই হারারেতেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম হাফসেঞ্চুরি (৫৭) করেন তিনি।
পরে ২০০৯ সালের ১৮ আগস্ট বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ৯৮ রানে আউট হয়ে প্রথম সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন মুশফিক। তবে দুইবছর পর ২০১১ সালের ১৬ আগস্ট অভিষেক ভেন্যু হারারেতেই প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পান এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান, প্রতিপক্ষ সেই জিম্বাবুয়ে।
বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য এ ব্যাটসম্যান পরে ২০১৪ সালে ফতুল্লায় ভারতের বিপক্ষে ১১৭ ও ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন।