| |

কেন্দুয়ায় প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে কিশোরীর আতœহত্যা

মোঃ মহিউদ্দিন সরকার, প্রতিনিধিঃ নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় প্রেমের স্বীকৃতি না পেয়ে কিশোরী শারমিন আক্তার বৃহস্পতিবার গন্ডা গ্রামের খালার বাড়িতে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিয়ে আতœহত্যা করে। উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের আঙ্গারোয়া রামপুর গ্রামের রব্বানীর ছেলে রহমত উল্লাহর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে শারমিনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, শারমিন আক্তার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ভালুকবেড় গ্রামের দরিদ্র জালাল উদ্দিনের মেয়ে। দরিদ্রতার তাগিদে জালাল উদ্দিন সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থান করায় শারমিন ও মা কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে মামার বাড়িতে থেকে বসবাস করত। শারমিন কোন স্কুলে লেখাপড়া করত না। গত ২৮ অক্টোবর বুধবার প্রেমিক রহমত উল্লাহ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারমিনকে নিয়ে যাওয়ার পথে মাইজহাটি আমতলা বাজারে লোকজন সন্দেহমূলক প্রেমিকযুগলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে বখাটে প্রেমিক শারমিনকে রেখে পালিয়ে যায়। বাজারের লোকজন শারমিনকে তার মার কাছে তুলে দেয়। এক সপ্তাহ পর বুধবার শারমিন আক্তার প্রেমিক রহমত উল্লাহর বাড়িতে গিয়ে বিয়ে করার চাপ সৃষ্টি করে । রহমত উল্লাহ ও তার বাবা রব্বানী বিয়ের কথা অস্বীকার করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। শারমিন অপমানিত হয়ে গড়াডোবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহজাহান মিয়ার কাছে ঘটনা খুলে বলে। পরদিন বৃহস্পতিবার প্রেমের স্বীকৃতি না পাওয়ায় শারমিন অপমান সহ্য করতে না পেরে গন্ডা গ্রামের খালার বাড়িতে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেচিঁয়ে আতœহত্যা করে। এলাকাবাসী ও গন্ডা ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলে জানা যায়, এলাকার এক শ্রেণীর অসাধু ব্যাক্তি প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করার জন্য বখাটে নির্যাতনের কথা বলে প্রচার করে যাচ্ছে। কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি অভিরঞ্জন দেব জানান, যার কারনে এ ঘটনা ঘটেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।