| |

পুলিশ, আনসার, আর এনবি ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সদস্যদের প্রহরা সত্বেও ময়মনসিংহ রেল স্টেশন চত্বরে সশস্ত্র ছিনতাই রেড়েছে ঃ যাত্রী সাধারন অসহায়

স্টাফ রিপোর্টার ঃ রেলওয়ে থানা পুলিশ, আনসার বাহিনী, রেল নিরাপত্তা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যদের রাত-দিন প্রহরা থাকা সত্বেও ময়মনসিংহ জংশন রেলস্টেশন চত্বরে সশস্ত্র ছিনতাই কারীদের দৌরাত্ব অনেক বেড়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ছিনতাইকারীরা নির্বিঘেœ ও অবাধে প্রতিটি প্লাটফরম, ওভার ব্রীজ, প্রতিটি গেইট সহ এই রেলস্টেশনের সর্বত্রই বিচরন করে আর কৌশলে অস্ত্রের মুখে নিরীহ যাত্রীসাধারনের কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল সেট, স্বর্নালংকার, ঘড়ি, ব্যাগ ইত্যাদি ছিনিয়ে নেয়। ছিনতাইকালে ঘটনাস্থলের পাশদিয়ে নিরাপত্তা-শান্তি-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী আসা-যাওয়া করতে থাকলেও ছিনতাই প্রতিরোধে একটুও এগিয়ে যায়নি। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে আঁতাত না কি ওদের ভয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত উল্লেখিত বাহিনীর সদস্যরা শুধু দর্শক হয়ে ঘুরাফেরা করেন সে রহস্য বুঝা যাচ্ছেনা। ফলে এখানে ছিনতাইকারীদের দৌরাত্ব চরমে উঠছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত ১১ টার দিকে ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাব কেন্টিনের কর্মচারী ইউসুবের পুত্র সাগর আহমেদ জয় বিপিন পার্কের কর্মস্থল থেকে আলীয়া মাদ্রাসা এলাকায় নিজ বাসায় যাওয়ার পথে ৪/৫ জনের ছিনতাই কারীর দল স্টেশনের প্রধান গেইটের সামনে অস্ত্রের মুখে পথ রোধ করে নগদ সাড়ে ৭শ’ টাকা ও ২ টি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এই ছিনতাই কারীদলের সনাক্ত ২ জন হচ্ছে কৃষ্টপুরের জুয়েল ও পুরোহিত পাড়ার আগুন পিতা নজরুল। রাত ছাড়াও প্রকাশ্য দিবালোকে অহরহ ছিনতাই হচ্ছে এই স্টেশন চত্বরে। ময়মনসিংহ রেলস্টেশনের যাত্রী সাধারন বর্তমানে সম্পূর্ন ভাবে অসহায় ও নিরাপত্তাহীন। এ অবস্থায় এখানে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের প্রহরার প্রয়োজন কি ?