| |

সংগীত বিদ্যালয়ের আয়োজনে গজল সন্ধ্যায় মুগ্ধ শ্রোতারা

স্টাফ রিপোর্টারঃ উপমহাদেশের শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম একটি ধারা গজল। ফার্সী প্রেম সংগতই গজল। মোহনীয় বাণী আর সুরের বৈচিত্রই এক কথায় গজলের উপজীব্য। এক সময় অভিজাত শ্রেণীর বিদগ্ধ শ্রোতারাই এক ধরণের আয়োজনে যুক্ত থাকেন। মেহেদী হাসান, গোলাম আলী, জগজিৎ সিং, অনুপ জালোটা, চিত্রা সিং প্রমুখ শিল্পী গজলকে জনপ্রিয় করে তুলেন। সম্প্রতি গত দুই এপ্রিল সোমবার সন্ধ্যায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত গজল শিল্পী জগজিৎ সিং স্মরণে ময়মনসিংহ সংগীত বিদ্যালয় আয়োজন করে গজল ও ঠুম্রী সন্ধ্যার। শুরুতেই ময়মনসিংহ সংগীত বিদ্যালয়ের পরিচালক সাংবাদিক নজীব আশরাফ এর সঞ্চালনায় জগজিৎ সিং এর জনপ্রিয় দুটি গজল ‘হোটোছে ছুলো তুম’ ও ‘তুম ইতনা জো’ পরিবেশন করেন তরুণ গজল শিল্পী মোবারক হোসেন অনাদী। ‘দিল হি তো হ্যায়’ ও ‘তুম কো দেখা তো এ খেয়াল আয়া’ জগজিৎ এর পরপর দুটি গজল পরিবেশন করেন প্রখ্যাত শিল্পী প্রদীপ তালুকদার। জগজিতের দুটি বাংলা গজল ‘বেদনা মধুর হয়ে যায়’ ও ‘বুঝিনি তো আমি’ পরিবেশন করেন শিল্পী প্রদীপ চক্রবর্তী। সবশেষে সংগীত বিদ্যালয়ের শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রশিক্ষক বিজন তোপদার জগজিৎ সিং এর একটি ঠুম্রী পরিবেশন করে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। শিল্পীদের তবলায় সহযোগিতা করেন অমল পোদ্দার এবং প্যাড ও সন্তুর বাজিয়ে সহযোগিতা করেন বাবু। উপস্থিত দর্শক শ্রোতারা মুহুর্মুহু করতালির মাধ্যমে শিল্পীদের গানের তারিফ করেন এবং ভবিষ্যতে ঘরোয়া এমন আয়োজনের অনুরোধ জানান। ময়মনসিংহ সংগীত বিদ্যালয়ের সভাপতি লায়ন মিজানুর রহমান খান লিটনের সভাপতিত্বে উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক নাট্য ব্যক্তিত্ব শাহাদাৎ হোসেন খান হিলু। এ সময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার আরজু পারভেজ, সংগীত বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য কৃষ্ণা তালুকদার, জয়ন্ত কুমার তালুকদার, ওস্তাদ মোফাজ্জল হোসেন বালা, আকবর আলী সাবরী, সাংবাদিক মতিউল আলম, তপন রায়, রেজাউল করিম আসলাম, বিশিষ্ট আলোকচিত্র শিল্পী মজিবুর রহমান মিন্টু ও কিশোর ত্রিপুরাসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবকবৃন্দ ও সংগীত পিপাসু শ্রোতা ম-লী।