| |

রাজন হত্যায় কামরুলসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ড

সিলেটে শিশু সামিউল আলম রাজনকে পিটিয়ে হত্যায় মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলামসহ চার জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রোববার সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধা এই রায় দেন। এ সময় চার্জশিটভুক্ত ১৩ আসামির মধ্যে কারাবন্দি ১১ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডের চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়না, জাকির হোসেন ওরফে পাবেল ওরফে রাজু (পলাতাক) ও তাজউদ্দিন আহমদ ওরফে বাদল।
এ ছাড়া ভিডিওচিত্র ধারণকারী নূর আহমদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদকে (পলাতক) সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
খালাস পেয়েছেন রুহুল আমীন, ফিরাজ আলী দুলাল আহমদ ও আজমতউল্লাহ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, আমরা উচ্চ আদালতে এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।
গত ৮ জুলাই চুরির অপবাদে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন শেখপাড়ায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয় সিলেটের জালালাবাদ থানা এলাকার বাদেয়ালি গ্রামের সবজি বিক্রেতা শিশু রাজনকে।
লাশ গুম করার সময় ধরা পড়েন একজন। পরে পুলিশ বাদী হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলা করেন। ফেসবুকে প্রচারের উদ্দেশ্যে নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারণ করেন নির্যাতনকারীরা।
ঘটনার পরপরই পালিয়ে সৌদি আরব চলে যান মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম। ইন্টারপোলের মাধ্যমে ১৫ অক্টোবর তাকে ফিরিয়ে আনা হয়। তার উপস্থিতিতে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ১১ সাক্ষীর পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের পর একটানা তিন দিন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের তারিখ ধার্য করেন।