| |

কেন্দুয়ার কৃষকরা বোরো ফসল কাটতে শ্রমিক সংকটে দিশেহারা

মহিউদ্দিন সরকার : কৃষি নির্ভর বাংলাদেশের কৃষকরা প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহ নানাবিধ সংকট মোকাবেলা করেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে তাদেরকে। গতবছর আগাম বন্যায় কৃষকদের সব বোরো পাঁকা ধান তলিয়ে গিয়েছিল। এবার সেই শোক ভুলে গিয়ে জমিতে বাম্পার ফলন ফলালেও শ্রমিক সংকটে কৃষকরা দিশেহারা। কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া,মোজাফরপুর,আলমপুর,সাজিউড়া, বানিয়াগাতি, হারুলিয়া, তেতুলিয়া, সাগুলী, পালড়া, গগডা গ্রামের অনেক কৃষক জানান,ধানকাটা শুরু হয়েছে। তবে শ্রমিক সংকটের কারনে তারা ধানকাটা নিয়ে এখনও অনেক সমস্যায় আছেন।

তারা বলেন, পাঁকা ধান কেটে বাজারে বিক্রি করতে ৬ শ থেকে ৬ শ ৫০ টাকার বেশি মূল্য পাওয়া যায় না। তা ছাড়া ওজনেও দিতে হয় এক মনের জায়গায় ৫০ কেজির মত।

কৃষক সজিদ মিয়া বলেন, একজন কৃষি শ্রমিককে একদিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ধান কাটার জন্য ৬ শ থেকে ৭ শ টাকা দিতে হয়।

এতে করে,১ মন ধানের মূল্য ৬ শ থেকে ৬ শ ৫০ টাকা আর একজন শ্রমিকের মূল্য ৬শ থেকে ৭ শ টাকা। ১ মন ধানের মূল্য দিয়েও একজন শ্রমিক মিলানো যাচ্ছে না।একই কথা বলেন বানিয়াগাতি, হারুলিয়া, বাট্টা, গগডা গ্রামের বেশ কয়েকজন কৃষক।

জানতে চাইলে রবিবার এ প্রতিনিধিকে মুঠো ফোনে জানান ২৯ এপ্রিল ভোর থেকে প্রচুর বৃষ্টি বাদল শুরু হওয়ায় শ্রমিক সংকট আরও বেড়ে গিয়েছে।ধানকাটা নিয়ে কৃষকরা উদ্বেগ উৎকন্ঠার মধ্যে আছেন।

বাট্টা গ্রামের কৃষক শিক্ষক একে.এম মুখসুমুল হাকিম মনু বলেন, তিনি প্রতি মন ধান খলায় রেখে ৬শ৫০ টাকায় বিক্রি করছেন। জমিতে সার, কীটনাশক, নিরানী, সেচ সহ ১০ শতাংশ জমিতে যে খরচ হয় সেই খরচ মেটাতে প্রায় অর্ধেকের চেয়ে বেশি ধানের মূল্য চলে যায়। তিনি প্রতিমন ধান ১ হাজার টাকা নির্ধারনের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।