| |

ধোবাউড়ায় পাকা রাস্তা যেন মৃত্যুকূপ, জনদূর্ভোগ চরমে

আবুল হাশেম : ধোবাউড়ায় অতিরিক্ত বোঝাই বালুর ট্রাক চলাচল করে ধোবাউড়া-গোয়াতলা ৯ কিলোমিটার এবং ধোবাউড়া- শিবগঞ্জ প্রায় ২০ কিলোমিটার পাকা রাস্তার বেহাল দশা। বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে রাস্তাটি যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। স্বোমেশ্বরী নদী থেকে আসা বালুর ট্রাকের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সাধারন মানুষ। ঘটছে ছোট বড় দুর্ঘটনা। অতিরিক্ত বোঝাই বালুর ট্রাক চলাচল করে ধোবাউড়া থেকে কলসিন্দুর হয়ে শিবগঞ্জ পর্যন্ত এবং ধোবাউড়া থেকে ময়মনসিংহগামী গোয়াতলা পর্যন্ত রাস্তাটি গর্ত আর খানাখন্দে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। কোন কোন জায়গায় বড় গর্ত হয়ে পুকুরে পরিনত হয়েছে। এতে জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারন করছে। ট্রাক আটকে থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা সাধারন মানুষ দর্শক হয়ে দাড়িয়ে থাকে। উপজেলা প্রকৌশলী শাহিনূর ফেরদৌস জানান রাস্তাটির ধারন ক্ষমতা ৫-৮ টনের । কিন্তু প্রতিদিনই ৩০ টন বোঝাই করা ট্রাক চললে রাস্তা ভাল থাকবে কিভাবে।বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক প্রিয়তোষ বিশ্বাস বাবুল ও যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিনের উদ্যোগে ট্রাক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু এখানেও সমস্যার সৃষ্টি হয়। বালুর ট্রাক বন্ধ করা হলে ময়মনসিংহ জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে সকল প্রকার ট্রান্সপোর্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ধোবাউড়া উপজেলা বাসী যেন শ্রমিক ইউনিয়নের লোকজনের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহদী হাসান বলেন আমি জেলা আইনশৃ্খংলা সভায় কথা বলেছি বালুর ডিমান্ড থাকায় তা বন্ধ করা যচ্চেনা তবে রাস্তার ধারন ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে যেন গাড়ি চলাচল করা হয় সে ব্যবস্থা করা হবে। তাই এবার অসহায় জনগন ট্রাক বন্ধ না করে রাস্তাটি মহাসড়কে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছেন।