| |

জামালপুরের রুহিলী বোয়ালমারী এলাকাটি এখনও অন্ধকারে

এসএম হালিম দুলাল জামালপুর প্রতিনিধি॥যে সময় বিদ্যুতের ঝলকানি সারা দেশ। বাংলাদেশ যখন উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত। সে সময় জামালপুর সদর উপজেলার ইটাইল ইউনিয়নের রুহিলী বোয়ালমারী গ্রামের বাসিন্দারা বিদ্যুতের অভাবে অন্ধকারাছন্ন জীবনযাপন করছেন। রুহিলী বোয়ালমারী গ্রামে ১১৬টি পরিবার আধুনিক এই সভ্যতার যুগেও বিদ্যুৎবিহীন অন্ধকারাছন্ন আদি ভৌতিক সভ্যতায় জীবনযাপন করছেন। বিদ্যুতের অভাবে বিঘিœত হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীদের লেখা পড়া। বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে ৩টি মসজিদ, ১টি মাদ্রাসা, ১টি রাইসমিল, ১০টি সেচ প্রকল্প, প্রস্তাবিত শেখ রাসেল মেমোরিয়াল হসপিটাল, নবরত্ব সমাজ উন্নয়ন সংঘ, নারী সমাজ উন্নয়ন সংস্থাসহ ক্ষুদ্র শিল্প বিস্তারে নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

জানা যায়, ২০১৫ সালে গ্রামবাসিদের আবেদনে জামালপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য সাবেক ভূমিমন্ত্রী মো: রেজাউল করিম হীরা, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি এবং জামালপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা: আব্দুল মান্নান জোড়ালো সুপারিশের প্রেক্ষিতে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি রুহিলী বোয়ালমারী গ্রামে ২০১৭ সালের জানুয়ারী মাসে রুহিলী বোয়ালমারী গ্রামের ১.৯১৩ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য নকশা প্রনয়ন সহ বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানে যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহন করে।

কিন্তু জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্তৃপক্ষের দায়ীত্বীনতায় এখন পর্যন্ত এই গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। ভূক্তভোগি গ্রামবাসীদের অভিযোগ,জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঠিকাদার আব্দুল হালিম ৩৫টি খুটি স্থাপনের কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেন। পরবর্তি ঠিকাদার আব্দুল হালিম লোক দেখানো কয়েকটি খুটি রাস্তার পাশে ফেলে রাখার পর থেকে তার কোন খোজ খবর নেই। গ্রামবাসিরা বার বার তার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌছাতে পারেনি।

এ বিষয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ আহমদের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, রুহিলী বোয়ালমারী গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানে আমরা ঠিকাদার আব্দুল হালিমকে বৈদ্যতিক সরঞ্জাম সমূহ প্রদান করেছি। কিন্তু এখনও ওই গ্রামে বিদ্যুতের ব্যবস্থা হয়নি এমন অভিযোগ আমাকে কেউ জানায়নি। ঠিকাদার টাকা গ্রহন করেছে কিনা এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে কিছু জানি না বলে জানিয়েছেন।