| |

সর্বহারা পার্টির পরিচয়ে দুই সরকারী কর্মকর্তার কাছে চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি

শফিকুল ইসলাম মিন্টু :
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা সমবায় কার্যালয়ের দুই সহকারি পরিদর্শক আবুল কাশেম ও আব্দুল লতিফের মুঠোফোনে সোমবার(৭মে) পৃথক পৃথক সময়ে পূর্ববাংলা সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে একাধিক মুঠোফোন নাম্বার থেকে চাঁদা দাবী করা হয়েছে। দ্রুত চাঁদার টাকা না দিলে ওই দুই পরিদর্শক ও তার পরিবারের সদসস্যদের খুন করা হবে বলেও মুঠোফোনে হুমকি দেয়া হয়েছে। হুমকির শিকার ওই দুই পরিদর্শক জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মঙ্গলবার(৮মে) গৌরীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
স্থানীয় ও সমবায় কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সমবায় কার্যালয়ে কর্মরত সহকারি পরিদর্শক আবুল কাশেমকে সোমবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে এয়ারটেল নাম্বার থেকে ফোন করে সর্বহারা পার্টির কমান্ডার গলা কাটা মোশারফ পরিচয় দিয়ে এক ব্যাক্তি আবুল কাশেমের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে চাঁদার টাকা না দিলে আবুল কাশেম ও তাঁর পরিবারকে খুন করে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়। পরে মঙ্গলবার সকালেও একটি রবি নাম্বার থেকে আবুল কাশেমের মুঠোফোনে টাকা চেয়ে খুনের হুমকি দেয়া হয়। অপরদিকে সর্বহারা পার্টির কমান্ডার গলা কাটা মোশারফ পরিচয় দিয়ে সোমবার ১টা ৭ মিনিটে এয়ায়টেল নাম্বার থেকে ফোন করে সমবায় কার্যালয়ের অপর সহকারি পরিদর্শক আব্দুল লতিফের কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। এসময় টাকা পাঠানোর জন্য বিকাশ নাম্বার দেয়া হয়। দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা না পাঠালে তাকেও খুনের হুমকি দেয়া হয়।
আব্দুল লতিফ বলেন, সর্বহারা পার্টি খরচ চালানোর জন্য আমার কাছে মুঠোফোনে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে। চাঁদা না দিলে আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যদের খুন করা হবে এমন হুমকির পর আমি খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি।
আবুল কাশেম বলেন, সর্বহারা পার্টির পরিচয় দিয়ে কি কারণে আমাদের কাছে চাঁদা চাওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছিনা। তবে চাঁদা না দিলে খুন করা হবে, এমন হুমকির পর পরিবার নিয়ে অনেকটা আতঙ্কের মধ্যে আছি।
গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দেলোয়ার আহমদ সাধারণ ডায়েরির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত হচ্ছে।
সর্বহারা অথবা চাঁদাবাজ যে সংগঠনেরই হোক না কেন তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।