| |

ত্রিশালে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে বিগ্রেড গঠনের উদ্বাবক ইউএনও রিপনের সফলতায় ত্রিশাল উপজলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষণা

রফিকুল ইসলাম শামীম ঃ
ত্রিশালে বাল্য বিয়ে ও ইফটিজিং ও যৌন হয়রানী প্রতিরোধে বিগ্রেড গঠনের উদ্বাবক ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর রিপনের গঠন করা বিগ্রেড ত্রিশাল উপজেলায় প্রতিটি গ্রামে গ্রামে কাজ করে গত ৬ মাসের বিশেষ সফলতার পর অবশেষে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় নজরুল একাডেমী মাঠে গতকাল বুধবার সকালে ত্রিশাল উপজেলা কে বাল্য বিয়ে মুক্ত ঘোষনা করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান।
ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষনা অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ব্রিগেডের উদ্ভাবক ইউএনও আবু জাফর রিপনের পরিচালনায় ও বিভাগীয় কমিশনার জি এম সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সহধর্মীনী রাজিয়া সুলতানা, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ^াস, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন, জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক লোকমান হোসেন। বাল্য বিবাহ ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ব্রিগেডের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ব্রিগেড লিডার মাহবুবা আলম তৃপ্তি। এসময় ময়মনসিংহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কাজী, শিক্ষক ও ১৮টি ব্রিগেড টিমের ১শ’ ৮৬ জন কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয় বাল্য বিবাহ ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ব্রিগেড গত ৬ মাসে ৬৮টি বাল্য বিবাহ বন্ধ করছে। ব্রিগেডের তৎপরতায় বাল্য বিবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত ঘোষণা করা হয়।
বাল্য বিবাহ ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ব্রিগেডের প্রশংসা করে অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। এই ব্যাধিমুক্ত সমাজ গঠনে তৃণমূলের প্রতিটি পরিবারকে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সঙ্গে অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধিদের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাল্যবিয়ে মুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।