| |

পরাধীন বাঙ্গালীর মুক্তির বাণী নিয়ে ধুমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিল নজরুল-বেগম রওশন এরশাদ

রফিকুল ইসলাম শামীম ঃ বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন-এ যুগের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ায় মনোনিবেশ করাতে গার্জিয়ানদের বিশেষ ভুমিকা রাখতে হবে । আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে ভুমিকাও রাখতে হবে নতুন প্রজন্ম যেন ভালোভাবে লেখাপড়া করে মেধা অর্জন করতে পারে,আর এই মেধাকে কাজে লাগিয়ে এদেশের উন্নয়নে ভুমিকা পালন করতে পারে। তিনি বলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মতো এমন ক্ষুরধার লেখনি কেও আর লেখতে পারেনি,এমন লেখক ও এদেশে আসেনি আর কখনো আসবেও না। এই লেখক এই ত্রিশালের তৎকালীন দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেছেন এই জন্য আমরা ময়মনসিংহবাসী গর্ববোধ করি। পরাধীন বাঙ্গালীর মুক্তির বাণী নিয়ে ধুমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিল নজরুল। কবি কাজী নজরুল ইসলাম পরাধীন বাঙ্গালীর মুক্তির বানী নিয়ে ধুমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিল। নজরুল পরাধীন বাংলাকে স্বাধীন করতে তার ক্ষুরধার লেখনির মাধ্যমে আমরণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। পরাধীন জাতির জন্য কবি সব সময় চিন্তা করতেন তিনি তার চিন্তা চেতনা লেখার মাধ্যমে সমাজের মানুষের কাছে পৌছে দিতেন তার লেখনির মাধ্যমে সেদিন এদেশের মানুষ জাগ্রত হয়েছিলেন। তিনি মনে প্রানে চেয়েছেন জাতি ধর্ম নির্বিশেষে এদেশের মানুষ হাতে হাত মিলিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বাধীন দেশে বসবাস করবে। কবি মুসলমানদের জন্য যেমনি লিখেছেন অসংখ্য হামদ-নাত গজল,তেমনি হিন্দুদের জন্যও লিখেছেন শ্যামা সংগীত, অসাম্প্রদায়িক একটি দেশ গড়তে চেয়েছেন । তিনি আরো বলেন-আমরা সকলে মিলে ময়মনসিংহকে গড়ে তুলতে হবে,ত্রিশালকে একটি আধুনিক উপজেলা ও আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। রবীন্দ্রনাথের শান্তি নিকেতনের আদলে ত্রিশালেও নজরুল নিকেতন গড়ে তোলা হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার ১১৯ তম নজরুল জন্মজয়ন্তির দ্বিতীয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক ড.সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন – সংসদ সদস্য ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ ফখরুল ইমাম,সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মুক্তি,বিভাগীয় কমিশনার জি এম সালেহ উদ্দিন,ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক খোকা, মহানগর শাখা আওয়ামীলীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল। স্বারক বক্তব্য রাখেন অনুপম হায়াত। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু জাফর রিপন। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।