| |

ধোবাউড়ায় তিন জয়িতার জীবনসংগ্রাম,রয়েছেন কলসিন্দুরের ফুটবলপ্রেমী সেই মিনতী রাণী

আবুল হাশেম,ধোবাউড়া ঃ ধোবাউড়ায় তিন জয়িতার জীবন সংগ্রামে যুক্ত হয়েছেন কলসিন্দুরের ফুটবল প্রেমী সেই প্রধান শিক্ষক মিনতী রাণী শীল। তারা জীবন সংগ্রামে সফলতা লাভ করে অর্জন করেছেন জয়িতা পুরষ্কার।অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী রেহেনা খাতুন। স্বামী মৃত ঃ প্রদীপ আলী। গ্রাম-দর্শা।তিন মেয়ে রেখে রেহেনার স্বামী মারা যায় ১৯৯৮ সালে।স্বামী মারা যাওয়ার পর অভাব আর অনটনই ছিল রেহেনার নিত্যদিনের সঙ্গী। হাতে থাকা এক হাজার টাকা দিয়ে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে রেহেনা। সেখান থেকে রেহেনার দুই মেয়ে ডিগ্রি পাসকোর্সে পড়াশোনা করছে। জীবনসংগ্রাম করে রেহেনাও এখন জমি ও বাড়ির মালিক। সফল জননী নারী মমতা বেগম।স্বামী সুরুজ আলী,গ্রাম ধোবাউড়া। প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্বেও লেখাপড়া করার ভাগ্য হয়নি মমতা বেগমের।কিন্তু অভাব অনটনের মধ্যেও তিনি তার দুই মেয়েকে পড়াশোনা করিয়েছেন। প্রথম মেয়ে এখন পুলিশের চাকুরী করছে এবং ২য় মেয়ে এসএসসি পরিক্ষার্থী। আর কলসিন্দুরের সেই মিনতী রানী শীলের কথা দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও ছড়িয়েছে। তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে মেয়েদের ফুটবল খেলা শুরু করেন। শুরুর দিকে ছিল নানান প্রতিবন্ধকতা। কিন্তু তিনি সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করেছেন। এজন্য পেরুতে হয়েছে অনেক চরাই উতরাই। গ্রামের সমাজে মেয়েদের ফুটবল খেলা যে কেমন প্রতিবন্ধকতা তা কেবল তিনিই টের পেয়েছেন। অবশেষে তিনি পেয়েছেন আলোর দেখা। বঙ্গমাতা টুর্নামেন্টে কলসিন্দুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় তিনবার চ্যাম্পিয়ণ হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় নারী ফুটবল দলে কলসিন্দুরের ১২ জন মেয়ে ফুটবলার প্রতিনিধিত্ব করছে।দেশের ফুটবল মানেই এখন কলসিন্দুরের নাম।