| |

নান্দাইলে সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ষ্টাফ রিপোর্টার ॥ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের শাইনধরা বাজারের সংখ্যালঘু পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় পরিদর্শন করেছেন হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ। গত ২৩মে বুধবার রাতে সংখ্যালঘু রবিদাস পরিবারের উপর এলাকার কতিপয় চিন্হিত সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা শাইলধরা বাজারে রমেশ, সুমন রবিদাস, কুবলাল গংদের দখলকৃত .৮ শং ভূমি স্থানীয় নিজবানাইল গ্রামের মৃত আঃ মমিন আকন্দের পুত্র হারুন আকন্দ, কাইয়ুম আকন্দ, খোকন আকন্দ, কাজল, রফিক আকন্দ, দুলাল, সবুজ, দেলোয়ার আকন্দ, জমসেদ খাঁ, ফারুক আকন্দ নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। ২৩মে বুধবার অনুমান সাড়ে রাত ৯টায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র অজ্ঞাত ৩০/৪০জন সহ উল্লেখিত ব্যক্তিরা সংখ্যালঘু পরিবারের ২০টি দোকান পাটে হামলা করে ব্যাপক ভাংচুর ও তান্ডব চালিয়ে লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুটে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আনে। সারারাত পুলিশ প্রহরা দেয়। হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় কুবলাল রবিদাসের পুত্র সুমন রবিদাস বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনার খবর পেয়ে গত ২৬ মে শনিবার বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর শাখার নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঐক্য পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি এডভোকেট বিকাশ রায়, মহানগর শাখার সভাপতি প্রশান্ত কুমার দাস চন্দন, নান্দাইল উপজেলার সভাপতি ধিমান সরকার, এডভোকেট সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক জ্যোতিষ সাহা ও ডাঃ বাদল বর্মন। নেতৃবৃন্দ শাইলধরা বাজারের সংখ্যালঘু পরিবারের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন। নেতৃবৃন্দের অবিলম্বে ঘটনার সাথে জড়িত সকল আসামীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন। সংখ্যালঘু পরিবারের নিরাপত্তা প্রদানেরও দাবী করেছেন ঐক্যপরিষদ নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ক্ষতিগ্রস্থ সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং তাদের অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন। এ ঘটনায় নেতৃবৃন্দ নান্দাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে দেখা করলে তিনি আইন শৃংখলা রক্ষাকল্পে সচেষ্ট থাকবেন বলে আশ্বাস দেন। নান্দাইল থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভারপ্রাপ্ত ইউএনও’র সাথে কথা বললে তিনি নেতিবাচক কথা বলেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর নেতিবাচক কথায় সংখ্যালঘু আক্রান্ত পরিবার তাদের দখলকৃত জায়গা হতে উচ্ছেদ হওয়ার আশংকায় রয়েছে।