| |

ফুলবাড়ীয়ার ধামর গ্রামের ৯ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী হালিমা ধর্ষণ চেষ্টা মামলার আসামী মামুন আজো গ্রেফতার হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ফুলবাড়ীয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর মেধাবী শিক্ষার্থী উপজেলার ধামর গ্রামের হালিমা (১৪)কে শ্লীলতাহানি ও জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় ফুলবাড়ীয়া থানায় মামলা (নং ২৬ তাং-২১/৫/১৮ ইং) হলেও ঘটনার মূলহোতা আসামী মোঃ মামুন (২০) ও তার সঙ্গীয়কে পুলিশ আজো গ্রেফতার করতে পারেনি। গ্রেফতার না হওয়ায় আসামী মামুন সঙ্গীয়দের নিয়ে প্রকাশ্যে ঘুরছে ও মামলা তোলে নেয়ার জন্য ভিকটিম ও ভিকটিমের স্বজনদের হুমকি দিচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানায়্। মামলার বিবরণে জানা যায়, ভিকটিম হালিমা আক্তারের জন্ম ধামরগ্রামের মামার বাড়িতে । জন্মের পরপরই পিতা মোঃ হাবিবুর রহমান মা সহ তাকে মামার বাড়িতে ফেলে রেখে চলে যায়। তখন থেকে মামা মোঃ সাইদুর রহমান মা সহ শিশু হালিমাকে লালন পালন করেন। বর্তমানে হালিমা ফুলবাড়িয়া পাইলট স্কুলের ৯ম শ্রেনীর ছাত্রী । বেশ ক’দিন ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ধামর দক্ষিন পাড়া গ্রামের আঃ আজিজ এর পুত্র মোঃ মামুন (২০) পিছু পিছু গিয়ে হালিমাকে নানাভাবে উত্যক্ত শুরু করে, নানা অশ্লীল কথা বলে। এভাবে চলার একপর্যায়ে গত ২১/৫/১৮ ইং তারিখ সকাল ৮ টায় ফুলবাড়িয়া গিয়ে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে পথিমধ্যে ধামর গ্রামেরই আবদুর রহমানের বাড়ির উত্তর পাশে কাঁচা রাস্তায় পৌঁছলে মামুন ও তার সহযোগী (অজ্ঞাত) হঠাৎ হালিমার মুখ চেপে ধরে জোর পূর্বক পাশের জঙ্গলে নিয়ে যায়। জঙ্গলে নিয়েই দু’জনে হালিমার দেহের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে হাত দেয় ও প্রচন্ড ভাবে চাপ দেয়। একপর্যায়ে দু’নরপশু হালিামাকে ধর্ষনের চেষ্ঠা করে। না পেয়ে হালিমাকে এলোপাথারি কিল-ঘুষি-লাথি মেরে চলে যায়। নাজেহাল অবস্থায় হালিমা বাড়ি ফিরে স্বজনদের সবকিছু খুলে বলে । মোঃ হেলাল মুন্সি(৪০), সাইদুর রহমান, (৩৫), মোঃ শফিকুল ইসলাম (২২) সহ এলাকার গনমান্যদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানানোর পর ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে ফুলবাড়ীয়া থানায় মামলাটি দায়ের করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩)৯(৪) (খ) তৎসহ ৩২৩ ধারায় দায়েরকৃত মামলাটির নং-২৬ তাং-২১/০৫/১৮ ইং।
এলাকার অনেকে জানান, আসামী মামুনের পিতা একজন পুলিশ সদস্য বলেই পুলিশ খাতির করে তাকে গ্রেফতার করছে না।