| |

নান্দাইলে মুক্তিযোদ্ধার কবরের টাইলস ভাংচুর ॥ ৪ জন আহত

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় মুশুলী ইউনিয়নের ফরিদাকান্দা গ্রামে মঙ্গলবার রাতে মরহুম সেনা সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের কবরের টাইলস ভাংচুর সহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করার এক গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানাযায়, ফরিদাকান্দা গ্রামের জালাল উদ্দিনের পুত্র জহিুরুল ইসলাম ও তাজুল ইসলাম স্থানীয়ভাবে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। মৃত আব্দুল মোতালিবের পুত্র জালাল উদ্দিন ফরিদাকান্দা গ্রামে মুুশুলী-কালিগঞ্জ রাস্তার পার্শ্বে কবর স্থানের জায়গায় সম্প্রতি জোরপূর্বক একটি ঘর উত্তোলন করে। মৃত মুক্তিযোদ্ধার পুত্র শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল জলিলের পুত্র আব্দুল হাফিজ, আব্দুল খালেকের পুত্র নাজমুল ও আব্দুল জলিলের পুত্র আব্দ্রু রাশিদ কবর স্থানের উপর ঘর নির্মাণে বাধা ও মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করলে প্রতিপক্ষরা তাদের উপর হামলা চালায় এবং মৃত মুক্তিযোদ্ধার সরকারীভাবে টাইলসকৃত কবরের উপর হামলা চালিয়ে টাইলস ভেঙ্গে ফেলে। হামলায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের আব্দুর রাশিদ গুরুতর আহত হলে তাকে নান্দাইল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুল হাফিজ, রফিকুল ইসলাম ও নাজমুল আহত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রাস্তার পার্শে মুক্তিযোদ্ধার কবর থাকায় বিবাদীরা উক্ত স্থান দখলে ব্যর্থ হয়ে বর্তমানে কবরটি নিশ্চি‎হ্ন করার পরিকল্পনা করেছে। ইতিমধ্যে পারিবারিক কবর স্থানের জায়গায় একটি ঘর নির্মান করে অর্ধেক জায়গা তাদের দখলে নিয়েছে। নান্দাইল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার হাজী গাজী আব্দুস সালাম ভূইয়া বীর প্রতীক ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সদস্য মো. শাহ আলম জানান, “মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা এবং মরহুম মুক্তিযোদ্ধার কবর ভাংচুরের ঘটনা নিন্দনীয়। উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের জোর দাবী জানিয়েছেন।” উক্ত হামলার ঘটনায় মৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে জালাল উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, তাজুল ইসলাম নাম উল্লেখ্য সহ অজ্ঞাত ৪/৫জনের নামে নান্দাইল মডেল থানায় বুধবার একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এলাকার ইউপি সদস্য মো. বাবলু মিয়া ও এলাকাবাসী জানান, “হামলাকারী জালাল উদ্দিনের ছেলেরা এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মাদক ও মোটর সাইকেল চোরাকারবারীর সাথে জড়িত।” বিবাদীদের বাড়িতে তাদের না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি তবে মহিলারা বলেন, কবরের জায়গায় তাদের অংশ রয়েছে।