| |

হালুয়াঘাটে হাঁসের খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নাজিম উদ্দিন

জোটন চন্দ্র ঘোষ : উপজেলার কৈচাপুর ইউনিয়নের বড়খালেরপাড় গ্রামের আলী হোসেন এর পুত্র নাজিম উদ্দিন কৃষি কাজের পাশাপাশি হাঁসের খামার করে আর্থিক ভাবে সাবলম্বী হয়েছেন। নিজে যেমন আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছে তেমনি এলাকার মানুষের পুষ্টি, আমিষের চাহিদা পুরনে অগ্রণী ভুমিকা পালন করছেন। দীর্ঘ সতের বছর যাবত হাঁসের খামার করে অর্থনৈতিক ভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন তিনি। আর এ কাজে তাকে সহযোগিতা করছেন তার চার সন্তান।
খামারি নাজিম উদ্দিন বলেন, প্রায় সতের বছর পূর্বে তিনিই প্রথম অত্র এলাকায় ২৫০টি দেশীয় জাতের হাঁসের বাচ্চা নিয়ে তার খামারের যাত্রা শুরু করেন। তার দেখাদেখি প্রায় ১৮/১৯ টি পরিবার হাঁস পালনে উৎসাহী হয়ে অত্র এলাকায় হাসের খামার স্থাপন করেছেন। সরকারী ভাবে তিনি কোন প্রকারের সহযোগীতা পান নি। ১২ শতাধিক হাঁস তার খামারে থাকলেও রোগাক্রান্ত হয়ে ৭শতাধিক হাঁস মারা যাওয়ায় বর্তমানে তার খামারে পাঁচ শতাধিক হাঁস রয়েছে। তিনি সতের বছরে প্রচুর লাভ করেছেন।পশু হাসপাতালের সহকারী অফিসার শহীদুল্লাহ তাকে দু বার ট্রেনিং দিয়েছেন। হাঁসের বিভিন্ন রোগ থেকে প্রতিকারের জন্য ঔষধ বাজার থেকে ক্রয় করে ব্যবহার করেন। হাসপাতাল থেকে কোন ঔষধ পান নি। সম্প্রতি সময়ে রোগাক্রান্ত হয়ে বার শত হাসের মধ্যে সাত শতাধিক হাঁস মরা যায়। প্রতি বছর তার প্রায় ১ লক্ষ থেকে দের লক্ষ টাকা লাভ হয়। এ বছর হাঁস মারা যাওয়ায় তার কোন লাভ হয়নি। বর্তমান বাজারে মূল্য হ্রাস থাকায় প্রতি হাঁসের মূল্য রয়েছে ১৪০ থেকে ২০০ শত টাকা। এখনও রোগাক্রান্ত হয়ে হাঁস মারা যাচ্ছে। প্রাণী হাসপাতল থেকে প্রতিষেধক ঔষধ আনতে গেলে ৪০ টাকা করে জমা দিতে হয়। কোন ব্যাংক কিংবা এনজিও থেকে ঋণ পান নি। সরকারী ভাবে তিনি সহযোগীতা পেলে তার হাসের খামারটি আরও বৃস্তিতি লাভ করতে পারবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।