| |

হালুয়াঘাটে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনার ১৮ দিন পর বসতঘর নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : হালুয়াঘাটে জমি নিয়ে পূর্ব-বিরোধের জের ধরে পতিপক্ষের হামলায় দোকানপাট ভাংচুর ও লুটপাট করে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষয়ক্ষতি করার ১৮ দিন পর পুনরায় উক্তস্থানে বসতবাড়ী নির্মাণ করেছেন ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া।
জানা যায়, গত ১৪ জুন উপজেলার শাকুয়াই গ্রামের রুসমত আলীর পুত্র দুলাল মিয়া ময়মনসিংহ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দ্রুত বিচার আদালতে হামলাকারীদের নামে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিত্বে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসাইন অভিযোগটি আমলে নিয়ে আগামী ২৫ জুলাই মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখে হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। যাহার মোকাদ্দমা নং-৭৮।
অভিযোগে প্রকাশ, গত ১০ জুন রবিবার সকালে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে শাকুয়াই গ্রামের ফুল মাহামুদের পুত্র ওয়াহাব ও মোতালেব, ফুল মামুদ এর পুত্র আবুল কাসেম,শামছু এর পুত্র আজাহারুল ইসলাম, উসমান আলীর পুত্র নূরুল আমিন, মৃত আজমত আলীর পুত্র উসমান আলী,আহাম্মদ আলীর পুত্র আবুল কালাম, উসমান আলীর পুত্র বাবু মিয়া, জয়নাল আবেদীনের পুত্র আজিজুল,আবুল কাসেম এর পুত্র খায়রুল ইসলাম ও মিজান এবং ফুলপুর থানার বাউনখিলা গ্রামের রাশেদ এর পুত্র আনোয়ারসহ প্রায় ১০/১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দোকান ও বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতবাড়ী ও দোকান ঘর ভাংচুর করে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ক্ষতি ও লুটপাট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে দুলাল মিয়া সাংবাদিকদের জানায় আদালতে মামলা দায়েরের পর ভাংচুরের ১৮ দিন পর তার বসতবাড়ীতে পতিপক্ষের ভাংচুর করা টিন দিয়ে একটি ঘর তৈরি করেছেন। পিতা, মাতা,স্ত্রী সন্তানাধি নিয়ে তিনি আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন। পতিপক্ষের ব্যক্তিগণ তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করছেন বলে জানান।