| |

এটিএন বাংলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে র‌্যালী কেককাটা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি লালন করে এটিএন বাংলা শুরু থেকেই (২২ বছর ধরে) নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচার করে দেশের মানুষের জনপ্রিয়তা অর্জন করে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের প্রথম বে-সরকারী স্যাটেলাইট টেলিভিশন এটিএন বাংলার ২২ বছরে পর্দাপনে বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে রবিবার বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভা যাত্রা, কেক কাটাঁ ও আলোচনা সভার মাধ্যমে পালিত হয়েছে। ময়মনসিংহ দর্শক ফোরামের উদ্যোগে রবিবার স্থানীয় রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা রেঞ্জ ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি উদ্বোধন করেন। পরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি বিভাগীয় শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

পরে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ রেঞ্চের অতিরিক্ত ডিআইজি ডক্টর আক্কাছ উদ্দিন ভূঞা, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডক্টর গাজী হাসান কামাল, সচিব প্রফেসর কিরিট কুমার দত্ত, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক খোকা, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, পুলিশ সুপার সৈয়দ নূরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, ময়মনসিংহ পৌর সভার মেয়র ইকরামুল হক টিটু, মুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ের রেক্টর অধ্যাপক আমীর আহমেদ চৌধুরী রতন, সরকারী আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উপাদক্ষ প্রফেসর নূরুল আফসার, কারিগরি শিক্ষা কল্যাণ সমিতির সভাপতি নাজমুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আতাউল করিম খোকন, টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি অমিত রায় ও স্বদেশ হাসপাতালের পরিচালক শামসুজ্জামান মাসুম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এটিএন বাংলার ময়মনসিংহ প্রতিনিধি শাহ আলম উজ্জ্বল প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মাহফুজুর রহমান দেশের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের পথিকৃত। এটিএন বাংলা চ্যানেলটি শুরু থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি লালনসহ নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচার করে জনপ্রিয়তা অর্জন করে এগিয়ে যাচ্ছে। আলোচনা শেষে অতিথিরা কেক কাটেন, তার আগে আনন্দ শোভা যাত্রায় অতিথিরা, ময়মনসিংহ কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগন, ক্যাবেল অপারেটর, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের,নেতৃবৃন্ধ এবং ছাত্র-ছাত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন ।