| |

হালুয়াঘাটে টানা ৫ দিনের অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে বাস চলাচল বন্ধ

জোটন চন্দ্র ঘোষ,হালুয়াঘাট : হালুয়াঘাটে টানা ৫ দিনের অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। হালুয়াঘাট থেকে রাজধানীমুখী যাত্রীবাহী সকল প্রকারের বাস চলাচল বন্ধ থাকার কারণে জনদূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীসাধারণের।
সরেজমিনে জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে হালুয়াঘাট হতে রাজধানীমুখী কোন বাস চালাচ্ছেন না বাস চালকরা। হালুয়াঘাটের জনপ্রিয় ইমাম ট্রেইলওয়েজ পরিবহন ও শ্যামলী বাংলা প্রাইভেট লিমিটেডের টিকিট কাউন্টারগুলি বন্ধ রয়েছে। ব্যাসস্টেন্ড এলাকায় সারিবদ্ধ রয়েছে ইমাম ও শ্যামলী বাংলা পরিবহনসহ ঢাকাগামী দূরপাল্লার গাড়ী গুলি। ফলে জনদূর্ভোগে পরেছেন যাত্রীসাধারণ। যাত্রীরা শিঘ্রই এ অচলাবস্থার নিরসনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সাধারণ শ্রমিকরা জানান, রাস্তায় গাড়ী নিয়ে বের হলেই শিক্ষার্থীরা ইচ্ছা মতো বাস ভাংচুর করছে। পাশাপাশি গাড়ীর চালক ও হেলপারদের মারধর করছেন। একদিকে নিজেদের জীবনের নিরাপত্তা সংকট অপর দীকে মালিকরা লাখ লাখ টাকা ক্ষতির মুখে পড়ছেন। পাশাপাশি ছাত্ররা যে দাবী করেছেন সড়ক দূর্ঘটনায় চালককে ফাঁসি দিতে হবে এমন অযোক্তিক দাবীর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে নিরাপত্তার অভাবে তারা ৫দিন ধরে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। পরিবহন মালিকগণ ও তাদের গাড়ী না চালানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।
হালুয়াঘাট মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন বলেন, গাড়ীবন্ধ রাখার জন্য মালিক কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা রয়েছে। সাধারণ শ্রমিকদের জীবনের স্বার্থে শ্রমিকরা গাড়ী চালাছেন না। পরিস্থীতি নিয়ন্ত্রনে থাকলে আর কোন গাড়ী ভাংচুর না করা হলে। শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে গাড়ী চালাতে তাদেও কোন আপত্তি নেই।
উল্লেখ যে, বেপরোয়া বাসচাপায় রাজধানীর শহীদ রমিজ উদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশের মতো ময়মনসিংহেও বিক্ষোভ করছে নগরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা একাধিক বাসও ভাঙচুর করেছেন। তাই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন মটর শ্রমিকরা।