| |

ইসলামপুরে এক ব্রীজে দু’িট প্রকল্পের টাকা উত্তোলন তবুও যাতায়াত করুণ দশা

জামালপুর প্রতিনিধি॥জামালপুরের ইসলামপুর পচাবহলা-উলিয়া বাজার সড়কে এক ব্রীজের এপ্রোচ মাটি ভরাট একই সংস্কার কাজের জন্য আলাদা ভাবে ২টি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। প্রথম প্রকল্প ৬০হাজার টাকা এবং দ্বিতীয়টি ৭৮হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও ব্রীজটির মাটি ভরাট কাজের উন্নতি হয়নি। ফলে ব্রীজটির উপর দিয়ে ইসলামপুর সদর, নোয়ারপাড়া ও মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ চলাচলা দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ভুক্তভোগি এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই জনগুরুত্বপূর্ণ ব্রীজটির এপ্রোচ সড়কে মাটি ভরাট কাজের জন্য ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের টিআর/কাবিটা ২য় পর্যায়ে ৬০ হাজার টাকা এবং একই রাস্তায় শুধু নাম পরির্বতণ করে দ্বিতীয় বার ৭৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বরাদ্দকৃত টাকা দু’বার উত্তোলন করা হলেও ব্রীজের মাটি ভরাট কাজে আসেনি। এবিষয়ে উপজলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসের তালিকায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পচাবহলা-উলিয়া বাজারের মাঝে ব্রীজের দুই পাশে মাটি ভরাট ৬০ হাজার টাকা এবং পচাবহলা-উলিয়া বাজার রাস্তায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্রীজের দুই পাশে মাটি ভরাট ৭৮ হাজার টাকা দু’টি প্রকল্প গ্রহন করার পর যথারীতি প্রকল্প দু’টির টাকাও উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু ব্রীজের এপ্রোচ কাজের এক চিমটি মাটি কাটা হয়নি।
এ বিষয় সাইফুল ইসলাম জয় নামে এলাকাবাসি জানান, গত ২০১৩ সাল থেকে ব্রীজের উপর দিয়ে পথচারীরা অনেক কষ্টে চলাচল করছে। কিন্তু স্থানীয় এমপি আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলাল এবং সাবেক উপজেলার চেয়ারম্যান আব্দুল বারী মন্ডল তিনিও ব্রীজটি পরির্দশন করে বহুবার টিআর,জিআর,এমনকি কাবিটা দিয়েছেন। কিন্তু কোন কাজ হয়নি ব্রীজের। তিনি আরো বলেন, শুধূ সরকারি টাকা বারং বার আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অপর দিকে শিক্ষক মমতাজ আলী জানান, একই ব্রীজের এপ্রোচ সড়ক সংস্কারে একই তালিকায় ৬০ হাজার টাকা ও ৭৮ হাজার টাকা বরাদ্দ নিয়ে সমুদয় টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। কিন্তু কখনই মাটি কাটা হয়নি।
এ বিষয়ে ওই ইউপির সদস্য বাবুল মিয়া জানান,সরকারি বরাদ্দের টাকার খবর আমি জানি না। কে উত্তোলন করেছেন তাও জানি না।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু সাথে মুঠে ফোনে যোগাযোগ করে তার কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।