| |

হালুয়াঘাটের চিহ্নিত কালোবাজারি মজিবরকে খোজে পাচ্ছেনা পুলিশ

জোটন চন্দ্র ঘোষ ,হালুয়াঘাট : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে কালোবাজারিতে পাচারের সময় গত ১৫ আগষ্ট দুপুরে পৌরশহরের উত্তর বাজার টানাব্রীজ এর উপর থেকে ট্রলি ভর্তি ১৫০ বস্তা ভিজিএফ চাল আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে থানা পুলিশ চালগুলি মালিক বিহীন অবস্থায় উদ্ধার করে একটি সাধারণ ডায়েরি লিপিবদ্ধ করেন এবং আটককৃত চাল গুলি বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেন।যাহার সাধারণ ডায়েরি নং-৫৩৩। গত ২০ আগষ্ট দুপুরে স্বদেশী ইউনিয়ন পরিষদের সন্মুখের নূরু মুন্সীর ঘর থেকে ৮০ বস্তা ভিজিএফ ও ভিজিডির চাল সংরক্ষণ করার সময় আটক করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার।
৮০ বস্তা চাল আটকের ঘটনায় হালুয়াঘাট থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে স্বদেশী ইউনিয়নের নাশুল্য গ্রামের মৃত সাদাত আলীর পুত্র নূরু মুন্সী, উপজেলার চিহ্নিত কালোবাজারি আব্দুল হেকিম ওরফে মংলার পুত্র মজিবর ও মিরাজ আলীর পুত্র হাকিম আলীর নামে বিক্রয়ের জন্য নিষিদ্ধ সরকারী চাউল উচ্চ মূল্যে বিক্রয়ের জন্য চোরাচালানের মাধ্যমে মজুদ ও নিজেদের হেফাজতে রাখার অভিযোগে ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করেন। যাহার নং-১৩।
ঘটনার ছয়দিন অতিবাহিত হলেও চিহ্নিত কালোবাজারি মজিবরসহ এজাহার নামীয় কাওকে আটক করতে পারেনি থানা পুলিশ। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরির্দশক দোলোয়ার হোসেন জানান, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে, শিঘ্রই অভিযোক্তদের আটক করা হবে।
স্থানীয়রা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সত্বে সাংবাদিকদের জানান, চিহ্নিত কালোবাজারি মজিবর প্রকাশ্যে ঘোড়াফেরা করলেও থানা পুলিশ আটক করছেন না। মজিবর উপজেলার বিভিন্ন চক্রের মাধ্যমে হতদরিদ্রদের জন্য সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত ভিজিএফ ও ভিজিডির চালসহ বিভিন্ন প্রগ্রামের চাউল কালোবাজারি মাধ্যমে সংগ্রহ করে উচ্চ মূল্যে বিভিন্ন চাতাল মালিকের নিকট সরবরাহ করেন । সে দীর্ঘদিন যাবত এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার বলেন, খাদ্য অধিদপ্তরের সীলমহর যুক্ত আটককৃত ২৩০ বস্তা চাল থানায় রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা রুজু করেছেন এজাহার নামীয় ব্যক্তিদের আটকের জন্য থানা পুলিশ বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।