| |

গৌরীপুরে প্রশ্নপত্রে ভুলের সেঞ্চুরি, তদন্ত কমিটি সত্যতা পেয়েছে

গৌরীপুর সংবাদদাতা ॥
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ছিল ভুলের সেঞ্চুরি। ভুলেভরা প্রশ্নপত্র দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘটনা তদন্ত করতে গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনার সত্যতা পেয়েছে। গত ৬ আগস্ট থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত ভুলেভরা প্রশ্নপত্র দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে শুধু পঞ্চম শ্রেণীর গণিত বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুলের পরিমাণ সেঞ্চুরি ছাড়িয়ে গেছে।
এদিকে প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম, ফুলবাড়িয়া শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন আরা বেগম, জেলা সদর শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল বাকী সহ চার সদস্যের একটি তদন্ত টিম ঘটনা তদন্ত করতে রোববার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পরিদর্শন করে।
ঘটনা তদন্ত করে এর সত্যতা পাওয়া গেছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পেশ করা হযেছে বরৈ জানান তদন্ত কমিটির সদস্য সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে প্রশ্নপত্রে ভুলের ঘটনা তদন্ত করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
স্থানীয় ও শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষায় উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি ১৮১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৪২ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। অভিভাবকরা জানান, গত ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত পঞ্চম শ্রেণির গণিত পরীক্ষায় ১৫ মিনিটে কত সেন্টিমিটার? এমন একটি হাস্যকর প্রশ্ন ছাপা হয়েছে। গণিতের ওই প্রশ্নপত্রের খ ক্রমিক প্রশ্ন অসম্পূর্ণ বাক্য। ১নং এর ঘ, ঢ, থ, ৪নং এর ক, ৫নং এর খ, ৬ এর ক, অথবা’র ক, ৮ এর গ, ১০নং ও ১০নং এর ক, অথবা’র ক, ১১নং এর খ ও গ ক্রমিকে ‘দাড়ি’ এর স্থলে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে। ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত ইংরেজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ১০০ পূর্ণমানের জায়গায় ৯০ লেখা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেনির বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নপত্রে বানান ভুল, মানবন্টন, শব্দ চয়নে অনেক ধরণের ত্রুটি রয়েছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষকরা।