| |

জনগণের কল্যাণে কাজ করা আমার দ্বায়িত জুয়েল আরেং এমপি

জোটন চন্দ্র ঘোষ,হালুয়াঘাট : ময়মনসিংহ-১ হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া থেকে নির্বাচিত জননন্দিত মাটি ও মানুষের স্বপ্ন পূরনের আকাঙ্খা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের রূপকার জুয়েল আরেং এমপি। উভয় উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের মাঝে আশার আলো ছড়িয়ে দিয়েছেন। উভয় উপজেলায় বইছে উন্নয়নের জোয়ার।
প্রয়াত সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন এমপি’র সুযোগ্য সন্তান হালুয়াঘাট – ধোবাউড়া থেকে নির্বাচিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সর্বকনিষ্ঠ্য সাংসদ মি.জুয়েল আরেং পিতার আর্দশ বুকে নিয়ে জনগনের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। তিনি একান্ত স্বাক্ষাতকারে এ প্রতিবেদককে বলেন,পিতার আর্দশ বুকে নিয়ে জনগনের মুখে হাসি ফোটাতে তিনি সার্বিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অত্র উপজেলায় রাস্তাঘাট স্কুল কলেজ অফিস আদালত থেকে শুরু করে সমাজের অবহেলিত জাতি হিসাবে পরিচিত নারী সমাজকে উন্নয়নের শীর্ষ স্থানে পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে জয়িতা মহিলা মার্কেট সহ বিভিন্ন ভাবে নারীদের কে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সার্বিকভাবে সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। গোবরাকুড়া ও কড়াইতলী স্থলবন্দরসহ প্রত্যেকটি ইউনিয়নেই বিদ্যুতায়ন করেছেন। প্রতিটি ইউনিয়নেই প্রাইমারী স্কুল ভবন নির্মাণ,সমাজের অতিদরিদ্র অসহায় ব্যক্তিদেরকে অর্থনৈতিক,অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, বিবাহ ও পঙ্গু ভাতাসহ বিভিন্ন ভাবে জনসাধারণকে সার্বিকভাবে সাহায্য ও অনুদান প্রদান করে যাচ্ছেন। সম্প্রতি উপজেলাকে ভিক্ষুক মুক্তকরার প্রয়াসে তিনি উপজেলার ভিক্ষুকদের জন্য পূর্নবাসন কার্যক্রম গ্রহন করেছেন। গত ২৬ জুন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ৫৬ কোটি টাকা ব্যায়ে ফুলপুর থেকে হালুয়াঘাটের গোবরাকুড়া স্থলবন্ধর পর্যন্ত ১৮ ফুট প্রস্থ্য রাস্তার নির্মাণ কাজ একনেকে অনুমোদন করেছেন। শিগ্রই টেন্ডারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। যে রাস্তাটি ছিল উপজেলাবাসীর সময়ের দাবী। জনগণের কল্যাণে কাজ করা আমার দ্বায়িত বলে উল্লেখ করেন। তিনি শিক্ষা জীবনে নডর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে, বিবিএ সম্পন্ন করেন ভারতের সিলং থেকে।
জানা যায়, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে যোগদানের মাধ্যমে সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করেন প্রয়াত সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন এমপি। ১৯৯১, ২০০১, ২০০৮ সালে হালুয়াঘাট থেকে এবং ২০১৪ সালে হালুয়াঘাট- ধোবাউড়া থেকে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীক নিয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের প্রথমে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী পরবর্তীত্বে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৬ সনের ১১ মে রোজ বুধবার ভোর সাড়ে তিনটার সময় ভারতের মোম্বাইয়স্থ হলিফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুকালে প্রমোদ মানকিন তার স্ত্রী মমতা আরেং , ৫ কন্যা ও একমাত্র পুত্র সন্তান বর্তমান সাংসদ মি.জুয়েল আরেংকে রেখে যান । প্রয়াত সমাজকল্যান মন্ত্রীর মৃত্যুতে ময়মনসিংহ-১ আসনটি শূন্য হয়।
পিতার যোগ্য উত্তরস্বরী হিসেবে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া-১৪৬) সংসদীয় আসনের উপ-নির্বাচন ২০১৬ সনের ১৮ জুলাই উৎসবমুখর পরিবেশ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সাংসদ জুয়েল আরেং নৌকা প্রতীক নিয়ে উপ-নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়। ময়মনসিংহ-১ উপনির্বাচনে উভয় উপজেলায় ১৩৩ টি ভোট কেন্দ্রের মধ্য নৌকা প্রতীক নিয়ে ১ লক্ষ ৭০ হাজার ২ শত ৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়।
প্রায় দুই বছর বাংলাদেশ সরকারের সর্বকনিষ্ঠ্য সাংসদ হিসেবে সরকারের গুরুদ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক জীবনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আর্দশের সৈনিক হয়ে পিতার আর্দশে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতির বন্ধনে আবদ করে রেখেছেন আপামর জনসাধারণকে। যার ফলেই উপজেলাবাসীর নয়নের মনি হিসাবে ইতমধ্য পরিচিতি লাভ করেছেন এবং উপজেলাবাসী গর্ববোধ করেন। তাই আবারো সর্বসাধারণ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জুয়েল আরেংকেই নির্বাচিত করতে চান। আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগে ও প্রচার প্রচারণায় রয়েছেন বর্তমান সাংসদ। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংসদ জুয়েল আরেংকেই নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করতে বদ্ধপরিকর জনসাধারণ। উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্ধসহ সর্বসাধারণ পরিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পুনরায় তাকেই নির্বাচিত করতে চান।