| |

জামালপুরের ইসলামপুর স্বপ্নের ২ সেতু উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এসএম হালিম দুলাল জামালপুর প্রতিনিধি॥প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা গত ১১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জামালপুর জেলার ইসলামপুর ব্রহ্মপুত্র নদের উপর ৫৬০মিটার দীর্ঘ ২‘শ ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ল্যাপ্টেন্যান্ট শহীদ শেখ জামাল এবং শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ (বীরোত্তম) সেতু দু’িট উদ্বোধন করেন। এসময় দেশের ২০ জেলায় মোট ৩৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি গণভবন থেকে জামালপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাথে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতু দু’টির উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এ সময় গণভবনে তার সাথে ছিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব নজিবুর রহমান, এলজিআরডি সচিব ড. জাফর আহম্মেদ। অপরদিকে জামালপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৫ সদর আসনের এমপি সাবেক ভূমিমন্ত্রী আলহাজ রেজাউল করিম হীরা, জামালপুর-২ ইসলামপুর আসনের এমপি আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলাল, জামালপুরের সংরক্ষিত আসনের এমপি শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফের বড় মেয়ে মাহজাবিন খালেদ বেবী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মদ চৌধুরী, জেলা প্রশাসক আহম্মেদ কবীর, পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন পিপিএম(বার),জেলা আ‘লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ, জামালপুর এলজিইডি‘র নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চ পদস্থ্য কর্মকর্তা ও সুধীবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জানাযায় ২০০৮ সালে নির্বাচনের পূর্বে ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ভিডিও কনফারেন্সে এলাকাবাসিদের ব্রহ্মপুত্র নদের উপর দু’টি সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাসের প্রেক্ষিতে স্থানীয় এমপি আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলালের ঔকান্তিক প্রচেষ্টায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের অর্থায়নে ইসলামপুর পাইলিং ঘাট-সভ’কুড়া এবং ডিগ্রীরচর-ডেফলা ঘাটে দু’টি সেতু নির্মণসহ প্রায় ৪০ কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছেন। ইতোমধ্যে সেতু দু’টি উপর দিয়ে ট্রাক-বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন হাজারও পথচারী চলাচল শুরু করেছে। তার সুফল পাচ্ছে ব্রক্ষপুত্র নদের দ্বিধাবিভক্তি দু’পাড়ের মানুষ। ফলে উপজেলার গোয়ালেরচর, গাইবান্ধা, চরপুটিমারী, চরগোয়ালিনী ইউনিয়নসহ মেলান্দহের শ্যামপুর ইউনিয়ন শ্রীবর্দী ও বকশীগঞ্জ উপজেলাসহ জামালপুর ও শেরপুর জেলার সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। বদলে গেছে চরাঞ্চলের ৩ লক্ষাধিক মানুষের জীবন যাত্রার মান। পরিবর্তন হয়ে চরের গ্রামগুলো এখন শহরতলীতে পরিণত হয়েছে।