| |

ভালুকায় আমন ধান কাটার ধুম

নিজস্ব সংবাদদাতা,: ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আমন ধান কাটার ধুম লেগেছে। ধান কাটার মৌসুমী শ্রমিকরা গৃহস্থের সাথে দাম দর ঠিক করে লেগে যান ধান কাটতে। যদিও মিল ফ্যাক্টরী হওয়ায় স্থানীয় ভাবে কৃষি কাজে শ্রমিক সংকট বেড়ে গেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখন স্থানীয় আদিবাসী নারী পুরুষরাই এসব কাজ করে থাকেন। আঙ্গারগাড়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলামের পাজাম ধান কাটতে দেখা যায় যাদের অধিকাংশই আদিবাসী নারী শ্রমিক। ৬০ বছর বয়সী পষন্নী মারাক জানান এ বয়সেও কাজ করে পেটের ভাত যোগাতে হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল আজম খান জানান, রোপা আমনে এ বছর লক্ষমাত্রা ছিল উফসী জাত ১৬ হাজার ১৭০ হেক্টর ও স্থানীয় জাত ২ হাজার ৩১৫ হেক্টর মোট ১৮ হাজার ৪৮৫ হেক্টর। অর্জিত হয়েছে উফসী ১৭ হাজার ১০০ হেক্টর ও স্থানীয় জাত ২ হাজার ৪৫০ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছিল ৭১ হাজার ৬৪০ মেট্রিক টন অর্জিত ৮০ হাজার ৮১৫ মেট্রিক টন।
কৃষকরা জানান , শ্রমিকরা প্রতিকাঠা ধান কাটতে কৃষকের কাছ থেকে ২৫০ টাকা করে নিচ্ছেন। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে অনেক কৃষকের ক্ষেতে সোনালী রঙের পাকা ধান কাটার অপেক্ষায় পরে আছে। আঙ্গারগাড়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল কাসেম জানান এ বছর মাঠে উফসী ব্রীধান ৪৯, বীনা ৭, ব্রীধান ৬২ স্থানীয় জাতের মধ্যে পাজাম,কালিজিরা, মুক্তার ফলন ভাল হয়েছে। তবে যারা স্বর্নমালার আবাদ করেছিলেন তাদের ধানক্ষেত পাতামোড়া রোগে আক্রান্ত হওয়ায় আংশিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে এর পরিমান খুবই সামান্য।