| |

ত্রিশালে ইজিপি কর্মসূচী কাজের শুরুতেই কাজ হচ্ছেনা মঠবাড়ী ইউনিয়নে

রফিকুল ইসলাম শামীমঃ
অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচীর আওতায় সরকারের ৪০ শা প্রকল্পে ময়মনসিংহের ত্রিশালের মঠবাড়ী ইউনিয়নে কাজের শুরুতেই কাজ হচ্ছেনা,কাজ না হলেও খাতায় লেবার সংখ্যা উঠায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। অপরদিকে লেবার বিভাজন না হওয়ায় ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কাজ ধরছেননা কয়েকজন মেম্বার।
এলাকায় খোজ নিয়ে দেখা যায়-উক্ত প্রকল্পের অধীনে ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী বাজার হতে কান্দানিয়া রাস্তার আসাদ ফকিরের বাড়ী পর্যন্ত রাস্তা মাটি ভরাটের কাজের জন্য ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার বুলুকে প্রকল্প দেওয়া হয়। তিনি এই রাস্তায় মাটি ভরাটের জন্য গত ৮ দিন আগে হতে ১৬০ জন লেবারের বিপরীতে কাজ করা শুরু করলেও সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় নামে মাত্র কাজ করছে ৮ জন লেবার। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান প্রকৃতপক্ষে রাস্তায় প্রতিদিন ৮ জন লেবার কাজ করলেও বিল তৈরী হচ্ছে ১৬০ জন লেবারের নামেই। এব্যাপারে বুলু মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আজকে লেবার সংখ্যা কম ছিল কাল থেকে বাড়ানো হবে। তিনি আরো বলেন আমিতো একটু হলেও কাজ করছি আমাদের অন্যান্য মেম্বাররা এখনো কাজ শুরুই করেনি,তাড়াও তো টাকা তোলবে। এব্যাপারে ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান-লেবার বন্টনে বিভাজন ঠিক হয়নি আমাকে মাত্র ১৮ জন লেবার দেয়া হয়েছে তাই আমি কাজ শুরু করেনি। ২ নং ওয়ার্ডের কাজল মেম্বার জানান বুলু মেম্বার ১৬০ জন ও হাফিজ মেম্বার ৯৮ জন লেবার বন্টনে পেলেও আমি মাত্র ১৫ জন লেবার পেয়েছি। এই কারনে আমিও কাজ ধরিনি। ২ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার জো¯œা আরা জানান বুবু মেম্বার চেয়ারম্যানের নিজস্ব লোক বলে তাকে সে ১৬০ জন লেবার পেয়েছে আর চেয়ারম্যান আমাকে মাত্র ২০ জন লেবার দিয়েছেন। বুবু মেম্বার ১৬০ জন লেবার পেলেও কাজ করাচ্ছেন মাত্র ৮ জন লেবার দিয়ে।
এব্যাপারে মঠবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কদ্দুছ বলেন-কোন রাস্তার মধ্যে কতজন লেবার লাগবে সেবাবেই মেম্বারদের মধ্যে লেবার বন্টন করা হয়েছে আমার নিজস্ব লোককে বেশী লেবার দিয়েছি এটা ঠিক নয়। রাস্তায় লেবার না থাকলে কাজ না করলে টাকা তুলবেনা। এব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান-প্রতিটা লেবারের বিপরীতে বিল দেওয়া হবে,এতে কোনো অনিয়ম পেলে আইনগগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।