| |

দেশের ৯৭ ভাগ ভোজ্য তেলেই ভেজাল !

স্টাফ রিপোর্টার ঃ তেল ছাড়া রান্নার চিন্তাই করা যায় না। কোন খাবারই সাধারণত: তেল ছাড়া সম্ভব না । যেখানে তেলের দাম একটু বৃদ্ধি পেলেই জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠে। জনজীবনে আন্দোলন শুরু হয়ে সরকার পর্যন্ত বিপর্য্যস্ত হয়ে পড়ে। সেই নিত্য প্রয়োজনীয় বিষয়ে এত অবহেলা ও সাধারণ মানুষের জীবন ধ্বংসকারী উপাদান! তবে তা শুধু ভাবনার ব্যাপার নয় দুঃশ্চিন্তা ও উদ্বেগের বিষয়ও বটে।
সম্প্রতি শষ্য উৎপাদনকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত এক সেমিনারে বিজ্ঞানিদের উপস্থাপনায় তথ্য পাওয়া যায় যে “ দেশের ভোজ্য তেলের প্রায় শতকরা ৯৭ ভাগ তেলই ভেজাল ও ক্ষতিকর। এর ফলেই দেশের মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন জটিল ও দূররোগ্য ব্যাধিতে। যার পরিনতিতে সমাজ, দেশ, রাষ্ট্র, অর্থ ও মানবসম্পদ সহ সব কিছুই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এবিষয়ে কোন উদাসীনতার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন বক্তাগণ।
সেমিনারে আরও জানা যায়, দেশের ভোজ্য তেল চাহিদা ১৫ লাখ টন। মাথাপিছু ৪০ গ্রাম করে ২০২১ সালে চাহিদা হবে ২৪ লাখ ৯১ হাজার টন। অপরদিকে দেশে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার তেলের পরিমান মোট প্রায় ৪ লাখ টন। এর মধ্যে শরিষা তেল ২লাখ ৫৮ হাজার টন এবং রাইজব্রাণের ১ লক্ষাধীক টন। চাহিদার বাকী সব বিদেশ থেকে আমদানী করা সয়াবিন ও পাম তেল প্রায় ১২ লাখ টন। সয়াবিনের অধিকাংশই ভেজাল বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞানীরা। তারা আরও বলেন ভেজাল মুক্ত তেল খেতে হলে দেশে আরও বেশী করে তৈলবীজ উৎপাদন বাড়ানো প্রয়োজন।