| |

কিশোরগঞ্জে স্কুলশিক্ষিকা হত্যা মামলা সিআইডিতে

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) থেকে সুবল চন্দ্র দাস ঃ কিশোরগঞ্জ শহরের স্কুলশিক্ষিকা আতিয়া জাহান মৌ ওরফে মৌসুমী (২২) হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিন পর মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ মামলাটি সিআইডি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এমনকি নিহত মৌসুমীর মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং ঘটনার পর যে তিনটি মোবাইল থেকে স্বজনদের হুমকি দেয়া হয় তাও চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। সোমবার মৌসুমীর বাবা ও স্বজনরা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে উৎকণ্ঠা ও নিরাপত্তাহীনতার কথা জানান। এরপরই মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হল। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ সিআইডির এএসপি আনিসুর রহমান মামলা হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমরা এ মামলাটি নিয়ে দ্রুত কাজ শুরু করব। এদিকে মেয়ের হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে আসা কামাল হোসেন অভিযোগ করেন, মামলা করার পরও পুলিশ কাউকে গ্রেফতারের চেষ্টা না করে টালবাহানা করছিল। তিনি ন্যায়বিচারের স্বার্থে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মামলাটি সিআইডিতে হস্তান্তরের অনুরোধ করেন। তিনি দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য আড়াল করতে একটি প্রভাবশালী মহলের তৎপরতা রয়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ শহরের নিজ বাসা থেকে ৭ নভেম্বর বিকালে স্কুলশিক্ষিকা আতিয়া জাহান মৌ ওরফে মৌসুমীর (২২) ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৌসুমী জেলার মিঠামইন উপজেলার গোপদীঘি গ্রামের সৌদি প্রবাসী কামাল হোসেনের মেয়ে এবং একই এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ঘটনার দিন তিনটি মোবাইল ফোন থেকে মৌসুমীর মা ও খালাকে হুমকি প্রদান করা হয়। পরদিন রাজিব, টিটু ও রিফান নামে তিন যুবকের নাম উল্লেখ করে পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে ধর্ষণ ও নির্যাতনের আলামত পাওয়ার কথা জানাজানির পর এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়।