| |

হোসেনপুরে আমনের বাম্পার ফলন সত্বেও লোকসানে কৃষক

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে চলতি মৌসুমে আমনের বাম্পার ফলন সত্বেও ন্যয্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকদের মন প্রতি লোকসান গুনতে হচ্ছে গড়ে ২০০ টাকা। ফলে ধানের দাম কম থাকায় চাষিদের উৎপাদন খরচ উঠছে না। এতে লোকসানে ধান চাষে আগ্রাহ হারিয়ে ফেলছে কৃষকেরা।
সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, চলতি মওসুমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন থাকলেও আবাদ হয়েছে অনেক বেশি। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার মেট্রিক টন ধরা হলেও বাম্পার ফলন হওয়ায় ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
সরেজমিনে গতকাল রোববার (২৯ নভেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাযায়, গ্রাম-গঞ্জের সর্বত্রই আমন ধান মাড়াইয়ের হিড়িক পড়েছে। কৃষকেরা নিঘূম রাত কাটিয়ে নতুন ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্থ হয়ে পড়েছে। এলাকার হাট বাজার গুলোতেও নতুন ধান ঊঠতে শুরু করেছে। উপজেলার উত্তর গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক কফিল উদ্দিন,কামাল উদ্দিন, সাহেবের চর গ্রামের কৃষক বাদল মিয়া,চর-হাজিপুর গ্রামের কৃষক মজনু মিয়া,জলিল মিয়াসহ কয়েক জনের মাড়াইকৃত ধান পরিমাপে দেখা যায়,গড়ে হেক্টর প্রতি ফলন হয়েছে প্রায় ৫ মেঃটন। বীজ ক্রয়,জমি প্রস্তুত,সার-কীটনাশক,সেচ,তেল ও শ্রমিক মুজুরীসহ ধানের মোট উৎপাদন করতে খরচ হয়েছে প্রতিমন ৬৫০-৭০০ টাকা অথচ বাজারে এ ধান বিক্রি করতে হচ্ছে ৫০০-৫২০ টাকায়। তারা ধানের ন্যয্য মূল্য নিয়ে শঙ্খিত রয়েছেন। ধানের দাম ৭৫০-৮০০ টাকা হলে কৃষকেরা লাভবান হবেন। তাই এবার আমনের ন্যয্যমুল্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ সুলতান আহম্মদ জানান, কৃষি বিভাগের সার্বক্ষনিক পরামর্শে এ বছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে স্থানীয় বাজারে ধানের মূল্য কম থাকায় কৃষকেরা লোকসানে মূখে পড়বেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।