| |

লাইসেন্সবিহীন নকল কেয়া মশার কয়েল ব্যবসায়ী শামসুল হক এখন কোটিপতি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ কোন প্রকার অনুমোদন ছাড়াই লাইসেন্স বিহীন সরকারী ট্যাক্স ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে প্রতারনার আশ্রয়ে বিভিন্ন প্রকার দ্রব্যাদি উৎপাদন ও বাজারজাত করে যাচ্ছেন নগরীর দিঘারকান্দা কাদু বাড়ি মসজিদ সংলগ্ন এলাকার শামসুল হক। দীর্ঘ দিন ধরেই উক্ত এলাকায় অফিস ও গোডাউন স্থাপন করে নকল কেয়া মশার কয়েল, বিভিন্ন ক্যামিকেলস দ্রব্যাদিসহ বিভিন্ন অবৈধ নিষিদ্ধ মালামালের ব্যবসা করে এই শামসুল হক একটি বহুতল বাড়ী, ভূমিসহ কোটি কোটি কাটার পাহাড় গড়েছেন। তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে অবৈধভাবে ব্যবসা করছেন। টানা কয়েকবছর নগরীর ২০/৪ নং বলাশপুর ঠিকানা হতে মেসার্স শামসুল হক ( গ/ঝ ঝঅগঝটখ ঐঅছটঊ) নামের প্রতিষ্ঠান দিয়ে ক্যামিকেলের সাধারণ সরবরাহকারী ও ব্যবসার কাজ করেছেন। পরবর্তীতে তিনি পাবনার ঈশ্বরদীস্থ শান্তার ইন্টারন্যাশনাল নামের প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্যাকেট-লেভেল ছেপে তাতে ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার দয়ারামপুর একম্রি কারখানায় নিজ উৎপাদিত মশার কয়েল প্যাকেটজাত করে বৃহত্তর ময়মনসিংহের সর্বত্র বাজারজাত করছেন।
এছাড়াও তিনি আ.এ.কে (জঅক) কয়েলের ডিলার সেজে ওই সব অস্বাস্থ্যকর কয়েল নকল কেয়া কয়েলের প্যাকেটে ভরে বাজারে ছাড়তেন। স্থানীয় সচেতন জনসাধারনের অভিযোগে ২ নম্বরী নকল-জালিয়াতি এই অবৈধ ও জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর ব্যবসার তথ্য জানা গেছে। তথ্যের ভিত্তিতে সরেজমিনে দেখা গেছে, শামসুল হকের পুরো ব্যবসায়ী অবৈধ।
দিঘারকান্দা কাদুর বাড়ি মসজিদ সংলগ্ন অফিস ও গোডাউনের ভেতরে অবৈধ কয়েলের প্রচুর কার্টুন মজুদ থাকলেও সামনে বেশ বড় প্রাণ নুডুলস গ্র“পের সাইনবোর্ড টানানো। সাইন বোর্ডে কয়েল সম্পর্কে কোন লেখা নেই। প্রতিষ্ঠিত কেয়া গ্র“প অব কোম্পানীর নাম ব্যবহার করে ছাপা প্যাকেটে বহু ভুল ভ্রান্তিও রয়েছে। ইদানিং তিনি নিজ ইচ্ছায় নতুন কেয়া জাম্বু মশার কয়েল লিখে প্যাকেট ও কার্টুন ছেপেছেন। এই ব্যবসার প্রতিটি নতুন নতুন পদক্ষেপ প্রমান করে তিনি (শামসুল হক) একজন রহস্যজনক ব্যবসায়ী।
তার এই ব্যবসা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকির ব্যবসা, সরকারকে ঠকানোর ব্যবসা। রহস্যময় ব্যবসায়ী শামসুল হক বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ প্রয়োজন।