| |

ফুলবাড়ীয়া উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আ: খালেক এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ: তদন্ত দাবী

ফুলবাড়ীয়া ব্যুরো অফিস : সরকার সারা দেশেই উপজেলা কৃষি অফিসের অধীনে সাবেক বিএস এর পদ মর্যাদা পরিবর্তন করে তাদেরকে উচ্চ পদ মর্যাদা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিলেও কৃষকের সেবার মান সেভাবে বৃদ্ধি পায়নি। বাংলাদেশ ডিজিটালে রূপান্তর হতে চললেও ফুলবাড়ীয়া উপজেলা কৃষি অফিসের অনেক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এখনও এনালক রয়ে গেছেন। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কৃষকের সঙ্গে কাজ করার কথা থাকলেও ফুলবাড়ীয়া সদর ইউনিয়নের চৌদার ও ফুলবাড়ীয়ার একাংশ ব্লকের উপ-সহকারী আ: খালেক-২ এলাকায় ঠিকমত না গিয়ে ফুলবাড়ীয়া বাজার মেইন রোডস্থ লেপ-তোষকের দোকান পরিচালনা ও ভিলেজ পলিটিক্স করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ঐ ব্লকে প্রায় ৩বছর যাবত গড় হাজিরা দিয়ে চাকরি করছেন। এ অভিযোগ প্রসঙ্গে আ: খালেক এর ব্লক চৌদার লক্ষীপুর এলাকায় গতকাল সোমবার সরেজমিনে পরিদর্শনে গেলে কৃষক আক্রাম হোসেন জানান, ১বছর পূর্বে চৌদার নতুন বাজারে সমিতির নাম করে একটি মিটিং এর মাধ্যমে ২১জন কৃষকের নিকট থেকে ২৫০টাকা করে তার প্রতিনিধি মাসুদ নিয়েছিল, এরপর আর কোন মিটিং হয়নি- সমিতিরও কোন খবর নাই। আমার খেত খামারে সে কখনও আসেনি। চৌদার নতুন বাজার সংলগ্ন কৃষক আ: মোতালেব ও আ: কাদের জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার কি কাজ- তাকে কখনও দেখি নাই চিনিও না। লক্ষীপুর এলাকার কৃষক আ: গফুর ও আহম্মদ উল্লাহ জানান, আসাদ নামে এক লোক আগে মাঝে মধ্যে আসত এখন কে আছে জানিনা। ঐ ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা জানান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আ: খালেক এলাকায় ঠিকমত যান না এমনকি আমাদের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ নাই। চাকরি না করে বেতন খাওয়া হালাল হবে কি?
উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি উসমান গণি এ প্রসঙ্গে বলেন, সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত। কারণ কৃষি সেক্টরে উন্নয়নের জন্য সরকার এত টাকা পয়সা খরচ করছে তাহলে কৃষকরা ভাল সেবা কেন পাবে না?
এলাকাবাসী উপ-সহকারী আ: খালেকের কর্তব্য কাজে গাফিলতি ও অনিয়ম বন্ধ করতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।