| |

স্কাউটদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে জাম্বুরী ময়দান

জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মৌচাক, গাজীপুরে ১০ম বাংলাদেশ ও ৩য় সানসো স্কাউট জাম্বুরী ময়দানে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, আফগানিস্থান, ব্রুনাই দারুস সালাম, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফিলিপাইন এর স্কাউট ও কর্মকর্তা ইতোমধ্যে হাজির হয়েছে। স্কাউটদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে জাম্বুরী ময়দান। মৌচাকে পৌছানোর পর পরই তাদের জন্য নির্ধারিত তাঁবু বুঝে নিয়ে তাঁবু এলাকা গুছিয়ে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলায় ব্যস্ত সময় পার করছে। একদিকে তাঁবু এলাকা গোছানো অন্যদিকে রান্না ও স্কাউট কার্যক্রমে অংশগ্রহণের প্রস্ততি।
বাংলাদেশ স্কাউটসের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় ৮ থেকে ১৪ মার্চ, ২০১৯ জাতীয় স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মৌচাক, গাজীপুরে ১০ম বাংলাদেশ ও ৩য় সানসো স্কাউট জাম্বুরী শুরু হয়েছে। ১০ম বাংলাদেশ ও ৩য় সানসো স্কাউট জাম্বুরীর থীম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘যোগ্য নেতৃত্ব উন্নত দেশ’। আগামী ১০ মার্চ, ২০১৯ তারিখ, রবিবার, বেলা ০৪:৩০ মিনিটে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চীফ স্কাউট জনাব মোঃ আবদুল হামিদ ১০ম বাংলাদেশ ও ৩য় সানসো স্কাউট জাম্বুরীর উদ্বোধন করতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
প্রথম দিনে অন্যান্য কর্মসূচির পাশাপাশি বাংলাদেশে গার্ল ইন স্কাউট এর ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন। জাম্বুরীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এরিনায় বাংলাদেশে গার্ল ইন স্কাউট এর ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়। উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মেহের আফরোজ চুমকি, মাননীয় সংসদ সদস্য, গাজীপুর, গাজীপুর-৫। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব সুরাইয়া বেগম, এনডিসি, জাতীয় কমিশনার(গার্ল ইন স্কাউটিং), বাংলাদেশ স্কাউটস। এখানে উল্লেখ্য যে, স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ষ্টিফেনশন স্মিথ লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল অফ গিলওয়েল ২০ জন সদস্য নিয়ে ১৯০৭ সালে স্কাউট আন্দোলন শুরু করার পরে মেয়েদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে তাঁর বোন এ্যাগনেস ব্যাডেন পাওয়েল মেয়েদের জন্য গার্ল গাইড আন্দোলন শুরু করেন। এরপর তাঁর স্ত্রী অলিভ লেডী ব্যাডেন পাওয়েল গাইড আন্দোলনকে ফলপ্রসূ করে তোলেন। স্কাউটিংয়ের গতিশীল প্রোগ্রাম ও ট্রেনিংয়ে মেয়েদের অন্তর্ভুক্তি সময়ের দাবী হয়ে দাড়ায়। ১৯৯০ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ৩২তম ওয়ার্ল্ড স্কাউট কনফারেন্সে স্কাউটিং এ মেয়েদের অন্তর্ভূক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১৯৯১ সাল থেকেই বিশ্বের বহু মুসলিম দেশসহ ৭৮টি দেশে গার্ল-ইন-স্কাউটিং প্রচলিত আছে। ১৯৯৪ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ স্কাউটস এর জাতীয় কাউন্সিলের ২১তম সভায় বাংলাদেশ স্কাউটসের গঠন ও নিয়ম এর সংশোধনীর মাধ্যমে গার্ল ইন স্কাউটিং আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পায়। ১৯৭২ সালে ৫৬ হাজার ৩শত ২৫ জন সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ স্কাউটস তার যাত্রা শুরু করেছিল। বর্তমানে বাংলাদেশের স্কাউট সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৭লক্ষ, আর গার্ল ইন-স্কাউটিং এর সদস্য সংখ্যা মোট সদস্য সংখ্যার ২০%