| |

দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ মহাসড়কে- বালু কয়লা ও পাথর বহনকারী ট্রাক,লড়ি চলাচলের উপর আসছে নিষেধাজ্ঞা। Ñ মানু মজুমদার এমপি

মোঃ মোহন মিয়া , দুর্গাপুর ( নেত্রকোনা )
নেত্রকোনার দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ সড়কটির দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর বর্তমান জনপ্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সড়কটি মহা সড়কে উন্নিত করে ৩‘শ ‘১৬ কোটি টাকা ব্যায়করে একটি টেকসই মহাসড়কের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ দেন। সড়কটির কাজ শেষ হতে না হতেই প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে হাজার হাজার ট্রাক,লড়ি,পানি মিশ্রিত বালু,কয়লা,পাথর বহন করে সড়কটির প্রায় ১২টা বাঁজিয়ে দিয়েছে। তা কিছুতেই ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। নিয়ম কানুন বিহীন অভারলোড যানবাহন চলাচলে সড়ক টি ভেঙ্গে অর্থনৈতিক ভাবে সরকার ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্থ হবেন তা দেয়া হবে না। অপর দিকে এলাকার মানুষ বছরের পর বছর ভাঙ্গা সড়ক ও যানজটে পরে পুহাবে অসহনিয় দূর্ভোগ এবং ট্রাক চলাচলে ভাঙ্গা সড়কে বিচ্ছিন্ন ও ঝুকি পূর্ন যাতায়াতের কারনে দুর্গাপুর থেকে বিদেশি পর্যটকরাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এতে করে উন্নয়নের দিক থেকে পিছিয়ে পরছে এ অঞ্চলের মানুষ। হাতে গুনা কয়েক জন মানুষ লাভবান হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে দেওয়া হবে না। জেলা প্রশাসককে “ডিও” লেটার দেওয়ার পরও এই অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না। দিনে ও রাত্রে নিয়ম বর্হিভূতভাবে ভারী যানবাহন গুলি চলাচল করছে অনবরত। নেত্রকোনা -১আসন দুর্গাপুর কলমাকান্দার নব নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য বাবু মানু মজুমদার গতকাল শুক্রবার সংবাদকে দেয়া এক সাক্ষাতে এসব কথা বলেন। বিধিমোতাবেক রাত ৮টা থেকে পরদিন ভোর ৬টা পর্যন্ত ভারী যানবাহন গুলো চলাচল করতে পারবে। দিনের বেলায় কোন ভারী যাবাহন চলাচল করতে পারবেনা। এর সাথে পাল্লা দিয়েই দৈনিক পানি মিশ্রিত বালু,কয়লা,পাথর বহন করা হচ্ছে। অপরদিকে বিরিশিরি- দুর্গাপুর সোমেশ^রী নদীর ব্রিজের উপর এমনিভাবেই অভারলোড বালু ও পাথর বহনকারী ট্রাক ঘন্টার পর ঘন্টার দাঁড়িয়ে থাকায় ব্রিজটি রয়েছে ঝুকির মধ্যে। অনেক সময় দিনভর যান চলাচলের জন্য শত শত ট্রাক রাস্তার উপর দারিয়ে থেকে সাধারণ জনগনের চলাচলে মারাত্বক ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। আবার জরুরী রোগী বহনকারী এম্বুল্যান্স যানজটের কবলে পড়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তার উপর দারিয়ে থাকতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে অভারলোড করে ট্রাক চলাচল ও চাঁদাবাজি বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন জেলা প্রশাসন। এভাবে সরকারের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে ধ্বংস করতে ও জনগনের ব্যাঘাত সৃষ্টি করা যাবেনা। জনসাধারন ও সরকারী স্বার্থে নিজের সিদ্ধান্তের উপর অনড় এই সংসদ সদস্য মানু মজুমদার। ট্রাক চলাচলে সময় বেধেঁ দেওয়ার জেলা প্রশাসকের যদি কোন এখতিয়ার না থাকে তবে তিনি ট্রাক চলাচলের সময়নিয়ে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে এলাকার জনগনকে সাথেনিয়ে উচ্চআদালতে যাবেন। ইতিমধ্যে সেই ব্যবস্থাও প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি আরো জানান। স্থানীয় পর্যবেক্ষন মহল বহুল ব্যায়ে এই মহাসড়ক টি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী রক্ষার্থে ভিজাবালু, পাথর নৌ পথে জারিয়া-ঝানজাইল রেল পথে পরিবহন করার জন্য মতপোষন করছেন। এতে এক দিকে যেমন নব নির্মিত সড়ক টি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে অপর দিকে সরকারী কোষাগারে জমা হবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।