| |

বৈশাখী জামদানি শাড়ী তৈরীতে ব্যস্ত নান্দাইলের তাত শ্রমিক

নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ বৈশাখী উৎসব উপলক্ষ্যে জামদানি শাড়ী তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে নান্দাইলের তিন তাত শ্রমিক। দিনরাত শ্রম দিয়ে তৈরী হচ্ছে সাদা-সবুজ, হলুদ-সাদা ও লাল-সবুজে সাদা রং মিশ্রিত বিভিন্ন বাহারী ডিজাইনের বৈশাখী জামদানি শাড়ী। একটি উন্নতমানের শাড়ী তৈরীতে প্রায় ১৫দিনের সময় লেগে যায়। রেশমী সুতা, জরি ও আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়ে তৈরী শাড়ীর ভালো মান ও চাহিদা রয়েছে বাজারে। সর্বনি¤œ দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের শাড়ী তেরী করা হয়। জানাযায়, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের বাশঁহাটি বাজার থেকে অর্ধ-কি.মি. দূরে বাশঁহাটি গ্রামে ২০০৯ সালে গড়ে উঠেছে নান্দনিক তাতশিল্প। উক্ত গ্রামের কামাল, শাহীন ও জুয়েল মিয়া নামে আপন তিন ভাই এই তাতের শিল্পের কাজ শুরু করেন। নারায়ণগঞ্জ রূপসী এলাকায় জামদানি শাড়ীর কাজ শিখেছেন কামাল। সেখান থেকেই তার ভাবনা যে এই তাতশিল্পের কাজ নিজ এলাকায় থেকেও করা যেতে পারে। তাই তার দুই ভাই সহ একটি টিনের চৌচালা ঘরে শুরু করে শাড়ী তৈরীর কাজ। বর্তমানে তার ৪জন কারিগর ও ২ জন সহকারী রয়েছে। প্রথমে এর চাহিদা কম থাকলেও এখন দূর-দূরান্ত থেকে অগ্রীম অর্ডার পায় তারা। কারিগর জুয়েল মিয়া বলেন, ‘উচ্চ-মধ্যবিত্ত পরিবারের সৌখিন লোকজন জামদানি শাড়ীর নিতে অগ্রীম অর্ডার দিয়ে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয় ঢাকা শহরের বিভিন্ন দোকানপাট থেকেও অর্ডার আসে তাদের কাছে।’ সহকারী সোহেল জানান, ‘রেশমী সূতায় এনালগ পদ্বতিতে কোন মেশিন ছাড়াই এই শাড়ী বুনা হয়। শাড়ীর মান বজায় রাখতে সময় বেশী লাগান তারা। যার ফলে তাদের এখানে শাড়ীর তৈরীর চাহিদা বেড়েগেছে।’ কারিগর শাহীন জানান, ‘অর্থযোগানের অভাবে এই শিল্প কাজটি বাড়াতে পারছেন না। সরকারী সহযোগীতা পেলে এই শিল্পটি নান্দাইলে আরও বেগমান হবে।’