| |

সন্ধাকুড়া বিট কর্মকর্তার অপকর্ম ঢাকতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে সাধারণ মানুষদের

ঝিনাইগাতী(শেরপুর)সংবাদদাতা :
বিভাগীয় ময়নসিংহ বন অফিসের আওতায় শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সন্ধাকুড়া বিট কর্মকর্তা রাশেদ ইবনে সিরাজ তার অপকর্ম ঢাকতে পাহাড়ি সাধারণ মানুষের নামে বন আইনে মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে । তিনি ৩/৯/১৮ইং তারিখে যোগদান করে ওই এলাকার মানুষের নিকট ও বিভিন্ন লোক মারফত তার সাথে দেখা করার জন্যে চাপ প্রয়োগ করে থাকেন অনেককেই । তার কথামতো যারা তার সাথে দেখা করে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে তাদের কোন সমস্যা হবে না বলে জানিয়ে দেয় । বনের অংশি দারিত্বে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরীতে ব্যাপক অনিয়মের কাজ করেছেন এই বিট কর্মকর্তা । গাছচোরদের সাথে তার সক্ষতা রয়েছে যার ফলে বনের গাছ কর্তন করে প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট করে যাচ্ছে দিনের পর দিন। তার কথামতো তার সাথে যুগাযোগ না করার ফলে ঝিনাইগাতীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,ধার্মিক সামাজিক ব্যাক্তিত্ব আলহাজ্ব ছামিউল হক ফকিরকে (৬০) সহ আরো ৫ জন সাধারণ মানুষের নামে ২০/১০/১৮ইং তারিখে একটি হয়রানী মূলক বনের মামলা দ্বায়ের করে । ৩০শে এপ্রিল ২০১৯ইং তারিখ মঙ্গলবার দুপুরে বনবিভাগের দায়ের করা হয়রানিমূলক ওই মামলায় স্বেচ্ছায় আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিনের আবেদন করলে শেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ সুলতানা জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ছামিউল হক উপজেলার রামেরকুড়া গ্রামের মৃত আফছার আলী ফকিরের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, গত ২০ অক্টোবর ২০১৮ইং সকালে ছামিউল হক সহ সংঘবদ্ধ অজ্ঞাতনামা ২০/২২ জন বনবিভাগের গোমরা মৌজার সি,এস দাগনং ১৮১ ও বি,আর,এস দাগ নং ২৮১ সৃজিত ২০১৪-২০১৫ সনের উডলট একটি বাগান থেকে আকাশমনি চারাগাছ কর্তন ও অবৈধ মোটা বালু উত্তোলনের কাজ করতে ছিলেন। এসময় বনবিভাগের সদস্যরা তাদেরকে আটক করার চেষ্টাকালে তারা দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে ৪৫টি আকাশমনি চারাগাছ, বালু উত্তোলনের ১০ ফুট লম্বা পাইপ ও একটি বালুর স্তুপ জব্দ করে এই মামলা দ্বায়ের করেন ।
এদিকে ছামিউলের ভাই সাখায়াত ফকির সাংবাদিকদের জানান, আমার ভাইকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র বিট কর্মকর্তার সাথে আতাত করে তার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তার ভাই দীর্ঘ দিন ধরে মহামান্য হাইকোর্টের রিট নিয়ে সরকারকে রাজস্ব দিয়ে মহারশি নদী থেকে শ্রমিকের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করেছেন এখন তা বন্ধ বলে জানান তিনি।
এব্যাপারে জানতে চাইলে ঝিনাইগাতী বণিক সমিতির সভাপতি আবু বাহার বলেন, ছামিউল হাজী সাহেব ছোট থেকে একজন ভালো ব্যবসায়ী বলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি কখনো বনবিভাগের বাগান থেকে গাছ কর্তন করতে পারে না বলে জানান।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা ও এম খলিলুর রহমান সহ এলাকাবাসীরা জানান ছামিউল ফকির একজন সম¥ানি ব্যক্তি তাকে হয়রানি করার জন্যে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করেছে বিটকর্মকর্তা তা বনবিভাগ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে সঠিকভাবে তদন্দের দাবি জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তি কামনা করে বলেন তার দ্বারায় কাঠচোরের প্রশ্নই আসে না ।
বিটকর্মকর্তা রাশেদ ইবনে সিরাজ এক প্রশ্নের জবাবে মোবাইল ফোনে এই প্রতিনিধিকে জানান পজেটিভ না নেগেটিভ খবর করবেন আমি আপনার সাথে সাক্ষাতে কথা বলবো । এক প্রশ্নের উত্তরে মামলায় তিনি গাছ কর্তনের সাথে জড়িত নয় বালু উত্তোলন কাজ করতে গিয়ে বনের ক্ষতি হয়েছে তাই তার নামে মামলা দিয়েছি । দির্ঘদিন তার নামে মামলা হলো না কেন জানতে চাওয়া হলে ৭/৫বলে ফোনের লাইন কেটে দিয়ে পড়ে কথা হবে বলে জানান ।