| |

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গে

গতকাল ২৬ আগস্ট (সোমবার) দৈনিক স্বদেশ সংবাদ পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ি কোথায়?’ শিরোনামের সংবাদটি আমাদের প্রতিনিধি রাজু আহাম্মেদ মহির এর বরাত দিয়ে ছাপা হয়েছে, তা উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ভিত্তিহীন। প্রকৃত পক্ষে সংবাদটি রাজু আহাম্মেদ মহির প্রেরণ করেননি। রাজু আহাম্মেদকে ব্ল্যাকমেইল করে সাংবাদিক নামধারী জনৈক খুরশেদ আলম রাজু আহাম্মেদ মহির এর নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে Khurshed Alam (khurshedalam.jhi@gmail.com) থেকে সংবাদটি প্রেরণ করে। অনাবধানতা বশত: তথ্য বিহীন এই সংবাদটি অত্র পত্রিকায় প্রকাশ হওয়ায় আমরা দুঃখিত। এব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান লেবু’র সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এব্যাপারে আমি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের সঙ্গে কখনো কোন কথা বলিনি বা অভিযোগ করিনি। উল্লেখ্য যে, সাংবাদিক নামধারী খুরশেদ আলম ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করায়, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বন বিভাগের চাঁদাবাজির কারণে তাকে উত্তম মধ্যম দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হয় এবং মামলা রুজু হয়। একজন মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধেও ভূয়া-মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করায় মামলা হয়। উভয় মামলায় তার এক মাস হাজত বাসের পর বর্তমানে সে জামিনে আছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সেলিম রেজা থাকাকালীন ২৯/৯/২০১৬ ইং তারিখে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় চিহ্নিত সন্ত্রাস চাঁদাবাজ বলে তার বিরুদ্ধে রেজুলেশনও নেয়া হয় এবং রেজুলেশনের কপি তথ্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়। ওই দিনেই উপজেলায় তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন হয়। উক্ত খুরশেদ আলম সে নামে-বেনামে ব্ল্যাক মেইল করে অপকর্ম ও সংবাদ পরিবেশন করে থাকে। এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী স্থানীয় প্রশাসনের যথাযথ উদ্যোগে গ্রহণ প্রয়োজন। বার্তা সম্পাদক