| |

ফুলবাড়ীয়ায় মানসম্মত কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট’র যাত্রা শুরু

মো: আব্দুস ছাত্তার : এক সময়, সময়ে অসময়ে ইষ্টি কুটুম পাখির যাক শোনা যেত। মুরব্বীরা বলতেন ভর দুপুরে অথবা সাজ সকালে ইষ্টি কুটুমের ডাক, ডাকার অথবা ইষ্টি আসার আর সময় পেল নাহ? কার ইষ্টি কাদের বাড়ীতে যায়। তবে অনেক সময় ডাকাডাকি সত্যও হতো না। তবে এখন ইষ্টি কুটুম আর আগের মত ডাকে না, সেই ইষ্টি কুটুমের ইষ্টি বাদ দিয়ে কুটুমবাড়ি নামকরণ করেছেন এক ব্যবসায়ী। তবে নামটি চমৎকার। কুটুমবাড়ি নামের মধ্যে বেশ একটা আতিথিয়তার গন্ধ পাওয়া যায়। ফুলবাড়িয়া থেকে ময়মনসিংহ যাওয়া বা আসার পথে দাপুনিয়া বাজারে এর একটি শাখা চোখে পড়ে। তবে সেটির একটি ফুলবাড়িয়া পৌর সদরে যাত্রার অপেক্ষা দীর্ঘদিনের। কুটুমবাড়ি’র সাথে আতিথিয়তার একটি গভীর সম্পর্ক থাকবে এমন আশাও অতিথিদের। ব্যবসা, আপ্যায়ন সব মিলিয়ে সবাই সবার। তবে নামের স্বার্থকতার বিচার করা হবে সেবা দিয়ে।
৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকাল ৫: ৩০মিনিটে মেইন রোডস্থ ভাই ভাই সুপার মার্কেটে ‘কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্ট’ এর শুভ উদ্বোধন করেন ফুলবাড়িয়া পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মো. গোলাম কিবরিয়া। এ সময় ফুলবাড়ীয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিশিষ্ট আইনজীবি এড. আজিজুর রহমান, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ সদস্য আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম বাবলু, ফুলবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রিয়া বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক এটিএম মহসিন শামীম, কুটুববাড়ি রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী বজলুর রহমান মিন্টু, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সরকার মোঃ সব্যসাচী, মির্জা গার্ডেন’র স্বত্ত্বাধিকারী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মির্জা হারুন অর রশিদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হারুন অর রশিদ, কুটুববাড়ি রেস্টুরেন্ট ফুলবাড়িয়ার ম্যানেজার মো. রাজিবুল হক সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও বিভিন্ন স্তরের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
ম্যানেজার মো. রাজিবুল হক জানান, সকল বেড়াজাল উপেক্ষা করে ভেজালমুক্ত ও সু-স্বাদু খাবার সরবরাহ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। ব্যবসায়িক মন মানসিকতা আমাদের মালিকের নেই। আমরা সেবার মাধ্যমে মানুষের মাঝে বেঁচে থাকতে চাই।