| |

র‌্যাবের অভিযানে পলিথিন ব্যবসায়ীর পনের মাসের জেল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ময়মনসিংহে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতে নিষিদ্ধ ঘোষিত এক পলিথিন ব্যবসায়ীর এক বছর তিন মাসের সাজা হয়েছে। তার নাম প্রিন্স সারোয়ার। সে বিভাগীয় নগরীর স্বদেশী বাজার জাদব লাহেড়ী লেনের মোহাম্মদ আলী টাওয়ারে দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন আমদানীসহ পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে আসছে। গতকাল সোমবার (০৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রূপম দাস এই সাজা প্রদান করেন।
র‌্যাব-১৪ সুত্রে জানা গেছে, স্বদেশী বাজারের জাদব লাহেড়ি লেনের মোহাম্মদ আলী টাওয়ারে প্রিন্স সারোয়ার দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন আমদানীসহ পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে আসছে। এ ধরণের খবরে সোমবার র‌্যাব-১৪ অভিযান চালায়। অভিযানে নয়শত কেজি নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ সহ প্রিন্স সারোয়ারকে আটক করা হয়। পরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রূপম দাস পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ সংশোধিত ২০১০ এর বিধানমতে আটককৃত প্রিন্স সারোয়ারকে এক বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। প্রিন্স সারোয়ার জরিমানার টাকা পরিশোধ করবেনা বলে আদালতকে জানালে আদালত তাকে এক বছর তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর আলম, ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিসের সেনিটারী পরিদর্শক শামছুল আলমসহ র‌্যাব-১৪ এর বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য মাস তিনেক আগে এই পলিথিন ব্যবসায়ী প্রিন্স সারোয়ারে স্বদেশী বাজারস্থ মোহাম্মদ আলী টাওয়ারের এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও তার গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ পলিথিন জব্দ করা হয়েছিল। ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ হাফিজুর রহমান ঐ অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। পরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে ৬ মাসের জেল ও জরিমানা করে। পরে এই নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন ব্যবসায়ী আপিলের মাধ্যমে জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারো এই পলিথিন ব্যবসা শুরু করেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এ নিয়ে তৃতীয়বার পলিথিন ব্যবসায়ী প্রিন্স সারোয়ার প্রশাসনের কাছে ধরা পড়লেও লজ্জাহীনভাবে বেপরোয়া পলিথিন ব্যবসা করছেন। তবে শারিরীকভাবে পঙ্গুত্বের দাবী করে অনেকবার সে পার পেয়ে যায়। জেল জরিমানা হলেও তিনি শারিরীক পঙ্গুত্বের অজুহাতে জামিনে এসে শুরু করেন পুরোনো ব্যবসা। তারা বলেন, প্রিন্স সারোয়ারসহ ৩/৪জনের একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। যারা বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের নির্দশনা উপক্ষো করে প্রতি সপ্তাহেই ট্রাকযোগে পলিথিন আমাদানী করে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে আসছে।